০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
পুতিনের বেইজিং সফর মূলত বিশ্বরাজনীতির একটি স্ন্যাপশট, যেখানে দেখা যাচ্ছে দুই বৃহৎ শক্তি মিলে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থার নকশা আঁকছে।
স্পেনের কৌশলগত সংলাপ, রাশিয়ার সমন্বয়, ভিয়েতনামের উন্নয়ন আগ্রহ, সব পথ এখন চীনের দিকে। বেইজিংয়ে চলছে ধারাবাহিক বৈঠক ও চুক্তি।
যুদ্ধ কি অনিবার্য, নাকি আলোচনার টেবিলই শেষ কথা বলবে?
‘আমরা জিতছি’ থেকে ‘এটা একটা যুদ্ধ’—বাক্যবিন্যাসের এমন পরিবর্তন কি কোনো বড় পতনের ইঙ্গিত? মার্কিন সেনানী থেকে শুরু করে বিশ্বশান্তি—সবকিছুই কি এখন ঝুঁকির মুখে?
একমেরু বিশ্বব্যবস্থার দিন কি তবে শেষ? মার্কিন প্রভাবকে তুচ্ছ করে মধ্যপ্রাচ্যে উদয় হচ্ছে ইরান-রাশিয়া-চীন সামরিক ও অর্থনৈতিক অক্ষ। দীর্ঘ ঐতিহাসিক অবিশ্বাসের দেয়াল পেরিয়ে কীভাবে এই তিন শক্তি আজ একে অপরের অপরিহার্য অংশীদার হয়ে উঠল?
নৈতিকতা নয় পরাশক্তিগুলো পরিচালিত হয় জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থের অঙ্কে।
চীনকে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে হুট করেই কি বদলে যাচ্ছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্ক? ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশে এই পরিবর্তনের ঢেউ কীভাবে সামলাবে?
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি এখন পৃথিবীর কেন্দ্রে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় নয়া কৌশল অবলম্বন করছে। এই জটিল খেলায় বাংলাদেশের কৌশল ও অবস্থান কী হতে পারে?