২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, “সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক সচেতনভাবে ও জ্ঞাতসারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন ব্যতীত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বৈদেশিক মুদ্রা নিজ হেফাজতে রাখেন।"
নথি সংগ্রহ করতে না পারার কারণ দেখিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী।
মামলার আবেদনে বলা হয়, “আনিসুল হক, তৌফিকা করিম এবং রাশেদুল কাওসার ২৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জন করেছেন।”
আগামী ৩ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন দিয়েছে আদালত।
“তারা কারফিউ জারির ষড়যন্ত্র করে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন, পরিকল্পনা করেছেন এবং উসকানি দিয়েছে।”
‘তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে’ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ মামলা করার তথ্য দিয়েছে সিআইডি
কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের ‘শেষ করে দেওয়ার’ প্ররোচনা হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে, দাবি করেছে প্রসিকিউশন।
জমির মূল্য দেখানো হয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭৯ টাকা।