২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
ক্ষমতার পালাবদলে দশকের পর দশক পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক লাঠিয়াল হিসেবে। কিন্তু সেই প্রাতিষ্ঠানিক ভুলের নির্মম মাশুল আজ দিতে হচ্ছে মাঠপর্যায়ের সাধারণ সদস্যদের। আইনি সুরক্ষার অভাব আর গণক্ষোভের দোলাচলে পিষ্ট হয়ে বাহিনীটির নৈতিক মনোবল এখন তলানিতে।
আইনি নিষেধাজ্ঞা আর জনগণের প্রতিবাদের পরও থামছে না উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী লুটের মহোৎসব। যাদুকাটা, পাটলাই কিংবা ধোপাজানের এই আর্তনাদ কবে শুনবে রাষ্ট্র?
এক পক্ষ প্রতিশোধ নিলে অন্য পক্ষ পাল্টা প্রতিশোধে নামে—ক্ষমতার পালাবদলের এই চিরন্তন ও ক্ষতিকর রূপটিই কি আমাদের নিয়তি?
বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে সাংবাদিকদের জেলে বন্দি অবস্থায় পেয়েছে সত্য, কিন্তু সেই পরিস্থিতির দায় এখন তাদের কাঁধেই। বিচারহীনভাবে কাউকে দীর্ঘদিন জেলখানায় আটকে রাখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দিনের পর দিন লড়াই করে আসছে, সেটি একটি সংকর ব্যবস্থায় এসে থিতু হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে এই পরিস্থিতিকে অ্যানোক্রেসি বা ‘নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ বলা হয়।
এ ধরনের ঘটনা আইনের শাসনের ‘চরম পরিপন্থি’, বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে প্রায় চারশ শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়েছে। অনেক কারখানায় হামলা-লুটপাট হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে দায়মুক্তির অবসান ঘটাতে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।