০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১
সাদুল্লাপুরের ইউএনও বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া এবং যাত্রী হয়রানি না করতে অভিযান চালিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
“অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন এক শ্রেণীর পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এমন অভিযোগের সত্যতা মেলায় তাদের জরিমানা করা হয়।”
“যা ঘটেছে তা বিশ্বাসই হচ্ছে না। লাইফে এত নিবির্ঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পারিনি কখনও,” বলেন এক যাত্রী।
ঈদে লম্বা ছুটির কারণে শেষ সময়ের দিকে টার্মিনালে যাত্রীর চাপ কম থাকার কথা বলছেন বাসকাউন্টার কর্মীরা।
“একটি কাউন্টারে গিয়েছিলাম, সেখানে একজনের ১৫০০ টাকা করে ভাড়া চাচ্ছে। কিছু কোম্পানি চাচ্ছে ১২০০ টাকা। অন্য সময় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় যেতে পারি,” বলেন এক ব্যক্তি।
“পরিবহন মালিকেরা বাড়তি মুনাফা লুফে নেওয়াসহ নানা কারণে গণপরিবহন ও অন্য পরিবহন পাল্লা দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে,” বলেন মোজাম্মেল।
“ঈদে যাত্রাপথে হাইওয়ে পুলিশের হটলাইন নম্বর সঙ্গে রাখ রাখুন; কল করার ১৫ মিনিটের মধ্যে সাড়া মিলবে,” বলেন তিনি।
যাত্রী বেশি থাকায় অটোচালকরা নেত্রকোণা পর্যন্ত আড়াইশ এবং ময়মনসিংহের যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নিচ্ছিল।