২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

এআই নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য নীতিকাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানতে চায়, এমন কোনো পরিমাপক ব্যবস্থা আছে কি না, যা নিশ্চিত করবে, ‘এআই ব্যবস্থাগুলো আইনি, কার্যকর, নৈতিক, নিরাপদ ও অন্য কোনোভাবে বিশ্বাসযোগ্য।’

এআই নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য নীতিকাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

|

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Apr 2023, 02:53 PM

Updated : 12 Apr 2023, 02:55 PM

চ্যাটজিপিটি’র মতো বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে মার্কিন জনসাধারণের মন্তব্য জানতে চেয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠাকে মঙ্গলবারের ঘোষণার কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স।

বিভিন্ন প্রশ্নের দ্রুত জবাব দেওয়ার সক্ষমতার কারণে সম্প্রতি জনসাধারণ ও বিশেষ করে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ওপেনএআই’র তৈরি চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি। মাসিক ১০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর সহায়তায় ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল গ্রাহক ভিত্তিক অ্যাপ হয়ে উঠেছে এটি।

হোয়াইট হাউজকে টেলিযোগাযোগ ও তথ্য নীতিমালা বিষয়ক পরামর্শ দেওয়া বাণিজ্য বিভাগীয় সংস্থা ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ এই বিষয়ে তুলনামূলক বেশি সম্পৃক্ততা চায়। কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থায়’-এ ‘নিয়ন্ত্রকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ’কে এর কারণ হিসেবে সংস্থাটি দেখিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স।

সংস্থাটি জানতে চায়, এমন কোনো পরিমাপক ব্যবস্থা আছে কি না, যা নিশ্চিত করবে, ‘এআই ব্যবস্থাগুলো আইনি, কার্যকর, নৈতিক, নিরাপদ ও  অন্য কোনোভাবে বিশ্বাসযোগ্য।’

“দায়িত্বশীল এআই ব্যবস্থাগুলো প্রচুর সুবিধা আনতে পারে। তবে তা ঘটতে পারে কেবল যদি আমরা বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার সম্ভাব্য পরিণতি ও ক্ষতিকর দিকগুলো মোকাবেলা করতে পারি। এই ব্যবস্থা তখনই নিজের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাবে, যখন বিভিন্ন কোম্পানি ও গ্রাহকরা তাদের বিশ্বাস করতে পারবে।” --বলেন ‘এনটিআইএ’ প্রশাসক অ্যালেন ডেভিডসন।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, এআই ক্ষতিকর কি না, তা দেখা এখনও বাকি।

“আমার মতে, বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর একটি দায়িত্ব বর্তায়। তা হলো, তাদের পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর আগেই এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যে এগুলো নিরাপদ কি না।” --বলেন তিনি।

‘বিভিন্ন এআই ব্যবস্থা নিজ দাবি অনুসারে কারও ক্ষতি না করে কাজ করতে পারে কি না’-ওই বিষয়টি যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরির পরিকল্পনা করেছে এনটিআইএ। তারা আরও বলেছে, এই প্রচেষ্টা বাইডেন প্রশাসনের চলমান কার্যক্রমকে ‘এআই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঝুঁকি ও সুবিধার জন্য ফেডারেল সরকারের একটি সমন্বিত ও ব্যাপক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করতে’ অবহিত করবে।

মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশনকে ওপেনএআই’র চ্যাটবট জিপিটি-৪’র নতুন কোন সংস্করণের প্রকাশ বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে ‘সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডিজিটাল পলিসি’ নামে এক প্রযুক্তি নৈতিকতা দল। এর কারণ হিসেবে তারা বলছে, এটি ‘পক্ষপাতমূলক, প্রতারণামূলক এবং প্রাইভেসি ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’