ফিটবিট, এআর, নেস্ট ও পিক্সেলের হার্ডওয়্যার বিভাগ বন্ধ করছে গুগল

চলে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে ফিটনেস ট্র্যাকার ফিটবিটের দুই প্রতিষ্ঠাতা জেমস পার্ক এবং এরিক ফ্রিডম্যানও রয়েছেন। রয়েছেন অগমেন্টেড রিয়ালিটি বিভাগের বেশিরভাগ কর্মী।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 11 Jan 2024, 07:55 AM
Updated : 11 Jan 2024, 07:55 AM

গুগলের নিজের ব্র্যান্ডের হার্ডওয়্যার তৈরি করে এমন চারটি বিভাগ কার্যত বন্ধ করে দিচ্ছে কোম্পানিটি। এর ফলে হার্ডওয়্যার সংশ্লিষ্ট শত শত কর্মী চাকরি হারাচ্ছেন এই প্রযুক্তি জায়ান্ট থেকে।

চলে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে ফিটনেস ট্র্যাকার ফিটবিটের দুই প্রতিষ্ঠাতা জেমস পার্ক এবং এরিক ফ্রিডম্যানও রয়েছেন। রয়েছেন অগমেন্টেড রিয়ালিটি বিভাগের বেশিরভাগ কর্মী।

কোভিড পরবর্তী সময়ে গুগলের খরচ কমানোর অংশ হিসাবেই এই ছাঁটাই হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।

গুগল বলছে, কোম্পানির ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউনিটে শত শত কর্মী ছাঁটাই করবে। 

গুগল ২০২১ সালে স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস ট্র্যাকিং কোম্পানি ‘ফিটবিট’ কিনেছিল ২১০ কোটি ডলারে। এর পাশাপাশি প্রায় একই শ্রেণীভূক্ত পণ্য পিক্সেল ওয়াচের নতুন সংস্করণও কোম্পানিটি বাজারে এনেছে।

“২০২৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে আমাদের বেশ কয়েকটি বিভাগে পরিবর্তন এসেছে। এর লক্ষ্য আরও দক্ষ হওয়া, আরও ভালভাবে কাজ করা এবং বিভিন্ন সম্পদ তাদের সবচেয়ে বড় পণ্য অগ্রাধিকারের সঙ্গে একই সারিতে নিয়ে আসা।” – এক বিবৃতিতে রয়টার্সকে জানিয়েছেন গুগলের একজন মুখপাত্র।

এসব দলের পুনর্গঠন এমন এক সময়ে আসছে, যখন মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো বিভিন্ন কোম্পানি জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তার ওপরে বাজি ধরেছে। এই ইঁদুর দৌড় শুরু হয়েছে ওপেনএআই নির্মিত চ্যাটজিপিটির সাফল্যের পরপরই।

গত বছর নিজেদের ভার্চুয়াল অ্যসিস্ট্যান্টে জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়েছিল গুগল। এআই প্রযুক্তি যোগ করলে ফিচারটি মানুষকে বিভিন্ন ভ্রমণ পরিকল্পনা দেওয়া, ইমেইল পড়ে সে সম্পর্কে পালটা প্রশ্ন করার মতো বিষয়ে সাহায্য করতে পারবে।

তবে, গুগলের মুখপাত্র এ ছাঁটাইয়ের ফলে প্রভাবিত কাজের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি। পাশাপাশি, কতজন কর্মী গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সফটওয়্যার, ডিভাইস ও পরিষেবা দলের অংশ তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

গত বছরের জানুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট। এ সংখ্যা বিশ্বব্যাপী কোম্পানিটির কর্মশক্তির ৬ শতাংশের সমান।