নিয়ম না মানলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও মুছবে টিকটক

আগামীতে কমিউনিটি নীতিমালা লঙ্ঘন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও মুছে দেবে টিকটক। নিজ সুরক্ষা দলকে আরও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মনোযোগের সুযোগ করে দিতেই নতুন প্রক্রিয়াটি নিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 July 2021, 09:59 AM
Updated : 10 July 2021, 09:59 AM

বর্তমানে ছোট-ভিডিও শেয়ারিং সেবাদাতা অ্যাপটিতে এরকম কোনো প্রক্রিয়া নেই।

কোনো ভিডিও নীতিমালা লঙ্ঘন করছে মনে করলে তা টিকটকের প্রযুক্তি প্রথমে শনাক্ত করে এবং সেটিকে ফ্ল্যাগ করে রাখে। এরপর টিকটকের সুরক্ষা দলের সদস্যরা সে ভিডিও খতিয়ে দেখেন। ফ্ল্যাগ করে রাখা ভিডিও নীতিমালা লঙ্ঘন করে থাকলে তা মুছে দেওয়া হয় এবং কনটেন্ট পোস্টকারীকে নোটিফিকেশন পাঠানো হয়।

কিন্তু এ প্রক্রিয়া থেকে সরে আসতে চাইছে চীনা বাইটড্যান্স মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু ধরনের কনটেন্টের জন্য নতুন প্রক্রিয়া নিয়ে আসবে সেবাটি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে দেওয়া প্রক্রিয়া পরীক্ষা শুরু করবে তারা।

প্রাপ্তবয়স্ক নগ্নতা ও যৌন ক্রিয়াকলাপ, সহিংসতা ও গ্রাফিক কনটেন্ট, অবৈধ কার্যক্রম ও নিষিদ্ধ পণ্য – এরকম ছোট সুরক্ষা লঙ্ঘনকারী কনটেন্টের বিরুদ্ধে নতুন প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেবে টিকটক। নতুন প্রক্রিয়া এলেও, পুরোনো প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে না।

গোটা ব্যাপারটি বাড়তি সংযোজন হিসেবে নিয়ে আসছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন সংযোজনটি হয়রানি, ভুল তথ্য এবং বিদ্বেষমূলক ব্যবহারের মতো আরও প্রাসঙ্গিক ও তারতম্যমূলক খাতে মনোযোগী হতে সাহায্য করবে সুরক্ষা দলকে। 

টিকটক জানিয়েছে, প্রথম লঙ্ঘনের পর টিকটক সতর্কতামূলক বার্তা পাঠাবে। কিন্তু ক্রমাগত লঙ্ঘন হতে থাকলে ব্যবহারকারীকে অবহিত করা হবে এবং অ্যাকাউন্ট এক পর্যায়ে স্থায়ীভাবে মুছে দেওয়া হবে।

ভুল তথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ঠেকাতে না পারায় গোটা বিশ্বেই তোপের মুখে রয়েছে ফেইসবুক ও টিকটকের মতো সামাজিক মাধ্যম নেটওয়ার্কগুলো। ঠিক এরকম একটি সময়েই নিজেদের প্ল্যাটফর্মের নতুন এ সংযোজনের ব্যাপারে জানালো টিকটক।

উল্লেখ্য, নীতিমালা না মানার কারণে এ বছরের প্রথম তিন মাসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ছয় কোটি ২০ লাখ ভিডিও সরিয়েছিল টিকটক। এর মধ্যে প্রায় ৮৫ লাখ ভিডিও ছিল মার্কিন ব্যবহারকারীদের।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক