১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডেও ইউটিউব চাইলে

ফিচারটি একবার চালু করলে ট্যাব বদলালেও, অন্য অ্যাপে গেলেও এমনকি ডিভাইস লক করলেও ইউটিউব ভিডিও আর থেমে যাবে না।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডেও ইউটিউব চাইলে
শুধু ইউটিউব নয় অন্যান্য ওয়েবসাইটের ভিডিও চালানো সম্ভব হবে। ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2025, 02:25 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:13 PM

ইউটিউব প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনের অন্যতম সুবিধা ‘ব্যাকগ্রাউন্ডে ভিডিও চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ’ এবার বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। মাইক্রোসফট এজ ব্রাউজার ব্যবহারের মাধ্যমে শুধু ইউটিউব নয়, অন্যান্য ওয়েবসাইটের ভিডিও ও ব্যাকগ্রাউন্ডে চালানো সম্ভব হবে।

প্রযুক্তি সাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি লিখেছে, এক এক্স ব্যবহারকারী ‘মাইক্রোসফট এজ ক্যানারি ফর অ্যান্ড্রয়েড’-এ একটি নতুন ‘ফ্ল্যাগ’ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। এটি অ্যাক্টিভ করলে ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিও প্লেব্যাক চালু রাখা যায়। 

এটি ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে মাইক্রোসফট এজ ক্যানারি ডাউনলোড করতে হবে। তারপর অ্যাড্রেসবারে গিয়ে ‘edge://flags’ লিখে এন্টার চাপতে হবে। এরপর সার্চ করে ‘ভিডিও ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে অপশন খুঁজে সেটিকে ‘এনএবল’ করতে হবে এবং ব্রাউজার রিস্টার্ট করতে হবে। তারপর সেটিংস > সাইট সেটিংস > ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিও প্লেব্যাক-এ গিয়ে টগল অন করে দিলে ব্যাকগ্রাউন্ডও ভিডিও প্লেব্যাক কাজ করবে।

একবার চালু করলে ট্যাব বদলালেও, অন্য অ্যাপে গেলেও এমনকি ডিভাইস লক করলেও ইউটিউবে চলা ভিডিও আর থেমে যাবে না। শুধু ইউটিউব নয় অন্যান্য ওয়েবসাইটেও এটি একইভাবে কাজ করবে।

শুধু তাই নয়, এজ ক্যানারি প্রথম চালুর সময় একটি পপ-আপ দেখায়: “টার্ট অন অ্যাড ব্লকার টু ওয়াচ ভিডিওস উইদাউট ইন্টারাপ্টিং অ্যাডস” ব্যবহারকারী যদি ‘টার্ন অন’ চাপেন তাহলে বিল্ট-ইন অ্যাডব্লকার চালু হয়ে যায় এবং ইউটিউবসহ বেশিরভাগ ওয়েবসাইটেই বিজ্ঞাপন আর দেখা যায় না।

যদি এই দুই ফিচার ভবিষ্যতে এজ-এর স্টেবল বিল্ড সংস্করণে যুক্ত হয় তবে ইউটিউব প্রিমিয়ামের সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার কারণ অনেকটাই কমে যাবে যা ইউটিউবের আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। এর বাইরে ইউটিউব রিভ্যান্সড-এর মতো কিছু অ্যাপ এরইমধ্যে বিনামূল্যে ইউটিউব প্রিমিয়ামের সব সুবিধা দিচ্ছে।

২০১৩ সালেও একই রকম ঘটনা ঘটেছিল। মাইক্রোসফট যখন উইন্ডোজ ফোনের জন্য ইউটিউব অ্যাপ চালু করেছিল তখন সেটি বিজ্ঞাপন ছাড়া ভিডিও দেখাত এবং ভিডিও ডাউনলোডের সুবিধা দিত। যা ইউটিউবের ‘টার্মস অফ সার্ভিস’ লঙ্ঘন করেছিল। ফলস্বরূপ গুগল সেই অ্যাপ ব্লক করে দেয়।

এখন দেখার বিষয় ইউটিউব ভিডিও ব্যাকগ্রাউন্ডে চালানো ও বিজ্ঞাপন আটকানোর মতো সুবিধা দেওয়ার জন্য গুগল আবারও মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় কি না।