২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শেয়ারবাজারে ‘কারসাজি’: সাকিব-হিরুদের মামলার প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে প্রায় ২৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 23 Sep 2026, 03:04 PM

Updated : 23 Sep 2026, 03:04 PM

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ১৭ নভেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেছে দিয়েছে আদালত।

বুধবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবির নতুন তারিখ নির্ধারণ করে দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন–সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন ২০২৫ সালের ১৭ জুন মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও হিসাব ব্যবহার করে ‘ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক লেনদেন, জুয়া ও ফাটকা কারবারের মাধ্যমে’ নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে শেয়ারবাজারে কারসাজি করেন। তাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান।

এভাবে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। ওই অর্থকে ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এজাহারে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

মামলায় বলা হয়েছে, আবুল খায়ের হিরু শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি করেছিলেন বলে অভিযোগ, সেগুলোর মধ্যে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারস রয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ারে সাকিব আল হাসানও বিনিয়োগ করেন।

দুদকের অভিযোগ, এসব বিনিয়োগের মাধ্যমে সাকিব আল হাসান শেয়ারবাজারে কারসাজিতে ‘সহায়তা’ করেন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’-এর নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।