Published : 01 May 2026, 05:55 PM
বড় ধরনের লোকসান কাটিয়ে ২০২৫ অর্থবছরে মুনাফায় ফেরার তথ্য দিলেও বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি।
শুক্রবার কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৯ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯৭ কোটি টাকা।
এর আগের বছর ২০২৪ সালে ৭৯৩ দশমিক ৭৮ কোটি টাকা নিট লোকসানের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ ফাইন্যান্স।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোম্পানির এই ইতিবাচক আর্থিক পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ‘কৌশলগত আর্থিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তার অধীন খেলাপি ঋণ ও লিজ হিসাব পুনঃতফসিলীকরণ’।
এছাড়া খেলাপি হিসাব থেকে আদায় বৃদ্ধি ও পুনঃতফসিলীকরণের ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রভিশন সমন্বয় হয়েছে, যা কোম্পানির পুনরুদ্ধার ও ব্যালান্স শিট পুনর্গঠন কার্যক্রমকে ‘আরও গতিশীল করেছে’ বলে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ভাষ্য।
২০২৫ সালে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা, যেখানে ২০২৪ সালে তা ছিল ঋণাত্মক ৪১ টাকা ৬১ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ঋণাত্মক ৩০ টাকা ০৫ পয়সা থেকে বেড়ে ঋণাত্মক ২৯ টাকা ০৭ পয়সা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে কোম্পানির আর্থিক অবস্থার ‘স্থিতিশীলতা’ ফিরে আসা এবং মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
লভ্যাংশ ঘোষণা না করার ব্যাখ্যায় সংবাদ বিজ্ঞেপ্তিতে বলা হয়, অর্জিত মুনাফা মূলধন ভিত্তি শক্তিশালীকরণ, আর্থিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা, পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং টেকসই ব্যবসায়িক সক্ষমতা জোরদারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশা করছে, চলমান পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, কৌশলগত পুনর্গঠন উদ্যোগ, কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সহায়ক নিয়ন্ত্রক নীতিমালার সমন্বয়ে ভবিষ্যতে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।