‘বিরতিতে রিশার্লিসন বলেছিল, যথেষ্ট বল পাচ্ছি না'
বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে ব্রাজিলের জয়ের নায়ক ছিলেন রিশার্লিসন।
সার্বিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিল শেষ পর্যন্ত সহজ জয় পেলেও ম্যাচের শুরুটা কিন্তু তাদের ঠিক স্বস্তির ছিল না। ছন্দ খুঁজে পেতে লেগে যায় অনেকটা সময়। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক রিশার্লিসন মাঝ বিরতিতে অনুযোগ করে বলেছিলেন আক্রমণে যথেষ্ট বল না পাওয়ার কথা।
লুসাইল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারায় পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধের শেষ ২০ মিনিটে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে একচেটিয়া দাপট দেখায় তারা। তবে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬২ মিনিট পর্যন্ত।
দুটি গোলেই জড়িয়ে ভিনিসিউস জুনিয়র নাম। প্রথম গোলটির সময়, এই রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের জোরাল শট সার্বিয়ার গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেওয়ার পর আলগা বল টোকায় জাল পাঠান রিশার্লিসন। পরে ৭৩তম মিনিটে ভিনিসিউসের দারুণ সাইড ফুট ক্রসে দর্শনীয় বাই সাইকেল কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন টটেনহ্যাম হটস্পার ফরোয়ার্ড।
২০১৪ সালে নেইমারের পর প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করেন রিশার্লিসন। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। তবে দলের প্রথমার্ধের খেলায় খুশি ছিলেন না তিনি। ফিফা প্লাসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সে কথাই বললেন ভিনিসিউস।
“আমরা (বিরতিতে) রিশার্লিসনের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। সে বলছিল, যথেষ্ট বল পাচ্ছে না। তবে আমরা তাকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে বলি। তকে বলেছিলাম, তার কাছে ২-৩ বার বল যাবেই এবং তা কাজে লাগিয়ে আমাদেরকে তার জেতাতে হবে। আমি খুবই খুশি যে নির্ধারক মুহূর্তগুলোয় সে প্রস্তুত থাকে।”
“(প্রথম গোলের সময়) নেইমার শট করতে কিছুটা সময় নিয়েছে (হাসি)। শেষ পর্যন্ত আমিই শট নেই এবং রিশার্লিসন সবসময় ঠিক জায়গায় তৈরি থাকে।”
রিশার্লিসনের মতো ভিনিসিউসের জন্যও ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপে অভিষেক। একটি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি অন্য গোলে সম্পৃক্ত থেকে ভালো একটি ম্যাচ কাটান তিনি। তার ওপর আস্থা রাখায় কোচ তিতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ভিনিসিউস।
“কোচ আমার ওপর বিশ্বাস রাখায় আমি খুশি। অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা বেশ কঠিন, কারণ আমাদের আক্রমণভাগে অনেক ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। রাফিনিয়া দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে এখানে এসেছে। রিশার্লিসনও। আর নেইমার সম্পর্কে তো কিছু বলার নেই।”
দারুণ ওই জয়ের ম্যাচেই শেষ দিকে বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। অ্যাঙ্কেলের চোটে ছিটকে গেছেন নেইমার। গ্রুপ পর্বে তাকে পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। একইরকম চোটে মাঠের বাইরে চলে গেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দানিলোও।
