লিডসের বিপক্ষে আবার হোঁচট খেল ছন্দহারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
মাইকেল ক্যারিকের দলের দিকে সমালোচনার তীর এবার আরও বিষাক্ত হবে।
প্রথমে এগিয়ে গিয়ে জয়খরা কাটানোর আশা জাগাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু ব্যবধান ধরে রাখতে পারল না তারা। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা টেনে মূল্যবান একটি পয়েন্ট পেল লিডস ইউনাইটেড।
প্রতিপক্ষের মাঠে রোববার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ১-১ ড্র করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ব্রায়ান এমবুমোর গোলে পিছিয়ে পড়ার পর লিডসকে সমতায় ফেরান ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইন।
একের পর এক বাজে পারফরম্যান্সে আগে থেকেই কোণঠাসা অবস্থায় আছে মাইকেল ক্যারিকের দল। আরেকটি হোঁচটে সমালোচনার তীর এবার আরও বিষাক্ত হবে।
গত মৌসুমেও এই দলের বিপক্ষে লিগে দুইবারের মুখোমুখি লড়াইয়ে একবারও জিততে পারেনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড; প্রথম লেগ ১-১ ড্রয়ের পর, ফিরতি পর্বে তাদের মাঠে ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় লিডস।
ব্যর্থ পথচলায় দলটির বিপক্ষে এবারও সাফল্য অধরাই রয়ে গেল প্রিমিয়ার লিগের রেকর্ড চ্যাম্পিয়নদের।
প্রিমিয়ার লিগে এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচে ১-১ ড্র করল তারা। প্রতিযোগিতাটি জয়শূন্য রইল টানা চার ম্যাচে। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ছয় ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
লিগে সাত রাউন্ডে মাত্র একটিতে জয়ী ক্যারিকের দল ৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে ১৩ নম্বরে। ৩ পয়েন্ট বেশি নিয়ে সপ্তম স্থানে আছে লিডস।
ম্যাচের শুরু থেকে দুই পাশে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও, কারো খেলাই তেমন গোছাল ছিল না। প্রতিপক্ষের বক্সে সেভাবে কেউ ভীতি ছড়াতে পারছিল না।
২৫ মিনিটের ধারহীন ফুটবলের পরের দুই মিনিটে দুই পাশে দারুণ দুটি আক্রমণের দেখা মেলে। ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পায় লিডস, দারুণ পজিশন থেকে নিকো এলভেডির হেড ঝাঁপিয়ে আটকে দেন গোলরক্ষক সানা লমেন্স। আর পরের মিনিটেই পাল্টা আক্রমণে ডি-বক্সে গোল করার মতো পজিশনে বল পেয়েও হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এমবুমো।
কিছুক্ষণ পর আর হতাশ করেননি ক্যামেরুনের এই স্ট্রাইকার। ইউরি টিলেমান্সের পাস ছয় গজ বক্সের মুখে পেয়ে, স্লাইডের মতো করে নেওয়া শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জালের দেখা পেলেন এমবুমো। আসরে তার গোল হলো চারটি।
ঘরের মাঠে নিয়মিত জালের দেখা পাওয়া ক্যালভার্ট-লুইনের নৈপুণ্যে দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে সমতায় ফেরে লিডস। কর্নারের পর সতীর্থের হেড পাস বুক দিয়ে নামিয়ে জোরাল শটে গোলটি করেন তিনি।
এবারের প্রিমিয়ার লিগে এই ইংলিশ ফরোয়ার্ডের গোল হলো হলো চারটি, সবগুলো গোলই করেছেন ঘরের মাঠে।
খুব কম সুযোগ তৈরি হওয়া ম্যাচে চার মিনিট যোগ করা সময়ে ব্যবধান গড়ে দিতে পারত লিডস। তবে আন্টোনের দুর্বল শট লমেন্স কোনোমতে গ্লাভসে জমালে হাফ ছাড়ে সফরকারীরা।
