২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮ কার্তিক ১৪৩৩

বার্সেলোনায় কাটানো সময় মেসির জন্য ‘অল্প কথায় প্রকাশ করা কঠিন’

প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে ফিরে কাম্প নউয়ে কাটানো সোনালি সময়ের দিকে ফিরে তাকালেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

বার্সেলোনায় কাটানো সময় মেসির জন্য ‘অল্প কথায় প্রকাশ করা কঠিন’

লিওনেল মেসি। ছবি: স্ক্রিনশট

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 23 Oct 2026, 03:21 PM

Updated : 23 Oct 2026, 03:21 PM

লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দীর্ঘ ও সোনালি সময় কেটেছে বার্সেলোনায়। কাতালান এই ক্লাব ও শহরে তিনি অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন, অসংখ্য প্রাপ্তিতে ভাস্বর হয়েছেন। মর্যাদাপূর্ণ প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে ফিরে কাম্প নউয়ে কাটানো সময়ের দিকে ফিরে তাকালেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। বললেন, ক্লাবটি তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

হাজারো ভক্তের উল্লাস আর করতালির মধ্যে স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোক্কুস্সোকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার স্পেনের ওবেইদোয় পৌঁছান মেসি। সেখানে শুক্রবার ক্রীড়া বিভাগে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার গ্রহণ করবেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।

ক্লাবের আর্থিক সংকটের কারণে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের অগাস্টে বার্সেলোনা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মেসি। যোগ দিয়েছিলেন পিএসজিতে। সেখান থেকে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তিনি পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেই থেকে মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা ইএফই-এর সঙ্গে আলাপকালে বার্সেলোনায় কাটানো বছরগুলোর স্মৃতিচারণ করলেন ৩৯ বছর বয়সি মেসি।

“আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে, সবকিছু জিততে পেরেছিলাম। যেভাবে আমরা খেলেছি, জয় উপভোগ করেছি এবং গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু অর্জন করেছি, তা ছিল দারুণ। তবে সবচেয়ে বড় কথা, আমরা প্রতিদিনের জীবন ও অনুশীলনের সময়গুলোও দারুণভাবে উপভোগ করেছি; আমরা খুব ভালো সময় কাটিয়েছি।”

বার্সেলোনায় দুই দশকের পথচলায় সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা, সর্বোচ্চ গোলসহ আরও অনেক রেকর্ড-কীর্তি গড়েছেন মেসি। ১০টি লা লিগা, চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ শিরোপা জিতেছেন অসংখ্য।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া রেকর্ড আটবারের ব্যালন দ’র জয়ী তারকা বলেন, বার্সেলোনা তার কাছে কী অর্থ বহন করে, তা “অল্প কথায় প্রকাশ করা কঠিন।”

বার্সেলোনাতেই মেসির তিন সন্তানের জন্ম, যে কারণে এই শহর ও ক্লাবের প্রতি তার মনে রয়েছে গভীর ভালোবাসা।