১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফন ডাইকের 'গোল বাতিলে’ ক্ষুব্ধ স্লট

লিভারপুল কোচের দাবি, ওই সিদ্ধান্তে ভুল করেছে ভিএআর।

ফন ডাইকের 'গোল বাতিলে’ ক্ষুব্ধ স্লট
লিভারপুল কোচ আর্না স্লট। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Nov 2025, 05:55 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:05 PM

ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হারের পর ভিএআরকে কাঠগড়ায় তুলেছেন আর্না স্লট। লিভারপুল কোচ মনে করেন, এটা খুবই পরিষ্কার যে ভার্জিল ফন ডাইকের গোল বাতিল করা ঠিক হয়নি। 

আর্লিং হলান্ডের গোলে ২৯ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। ৩৮তম মিনিটে হেডে জালে বল পাঠান ফন ডাইক। তবে লাইন্সম্যান অফসআইডের ইশারা করেন। সিটি গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মার সামনে দাঁড়ানোয় তার দেখার পথে বাধা ছিলেন অ্যান্ড রবার্টসন। ভিএআর সিদ্ধান্ত দেয় যে, গোলরক্ষকের সামনে অবশ্যই নড়াচড়া করেছেন তিনি, সেকারণেই মেলেনি গোল। 

ম্যাচ শেষে স্লট দাবি করেন, ভিএআরের সিদ্ধান্ত ছিল ভুল। তবে স্বীকার করেছেন, লিভারপুলের হারের কারণ এটা নয়। 

“আমার জন্য মতামত দেওয়া কঠিন। অন্তত আমার মতে, এটা খুবই পরিষ্কার যে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গোলরক্ষক যা করতে পারত, তাতে (রবার্টসন) মোটেও কোনো প্রভাব ফেলেনি। ম্যাচ শেষে একজন আমাকে এমনই একটা গোল দেখিয়েছে, যা এই একই রেফারি গত মৌসুমে সিটি ও উলভস (উলভারহ্যাম্পটন ওয়ানডারার্স) ম্যাচে মেনে নিয়েছিলেন।”

“লাইন্সম্যানের অফসাইডের পতাকা তুলতে ১৩ সেকেন্ড সময় লেগেছে। অর্থাৎ স্পষ্টভাবে তাদের মধ্যে (কোচ-লাইন্সম্যান) যোগাযোগ হয়েছিল। যাই হোক, এটা ম্যাচের ফলাফলে আমাদের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত।”

চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের ১১ ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে লিভারপুল। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে তালিকার আট নম্বরে। ২২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ম্যানচেস্টার সিটি, ২৬ পয়েন্ট শীর্ষে আর্সেনাল। 

ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গেও কথা বলেন স্লট।

“মনে হচ্ছে, চারটা হার অনেক বেশি হয়ে গেছে। আর এখন শিরোপা লড়াই নিয়ে কথা বলতেই চাই না। এমনকি এই বিষয়ে ভাববার আগেও আমাদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ম্যাচ জেতা। বাস্তবতা হলো, আমরা এখন অষ্টম স্থানে। একটি দল অনেকটা এগিয়ে গেছে, যদিও সিটি এখন হয়তো আর্সেনালের চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে। বাকিরা বেশ কাছাকাছি অবস্থানে।”

“গত মৌসুমে আমি বহুবার বলেছি, এমনকি যখন আমরা শুরুতে এগিয়ে ছিলাম তখনও যে, লিগ টেবিল বিচার করার সেরা সময় হলো ৩৮ ম্যাচ শেষে। দ্বিতীয সেরা সময় হলো ১৯ ম্যাচের পর, কারণ ওই সময়ের মধ্যে সবাই সবার মুখোমুখি হয়েছে। আমাদের এখন প্রথম লক্ষ্য হওয়া, (ইতিবাচক) ফল পাওয়া। আর সবকিছুর শেষে যেটায় মনোযোগ দেওয়া উচিত, তা হলো শিরোপার লড়াই।”