১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হামজা-জামালদের নতুন কোচ টমাস ডুলি

দুটি বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ টমাস ডুলি কাজ করেছেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সঙ্গে।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 May 2026, 12:15 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:18 PM

দুটি বিশ্বকাপ খেলেছেন টমাস ডুলি, এর একটিতে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক। কাজ করেছেন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সঙ্গে। দুই দফায় কাজ করেছেন ফিলিপিন্স জাতীয় দলে। সবশেষ ছিলেন গায়ানা জাতীয় দলে। সেখান থেকে এবার বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হলেন ৪৫ বছর ধরে ফুটবলে জড়িত থাকা ডুলি।

হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরী হলেন ৬৫ বছর বয়সী ডুলি। কাবরেরার মেয়াদ শেষে নতুন কোচের সন্ধানে ছিল বাংলাদেশ। এ নিয়ে কয়েক দিন বেশ টানাপোড়েন ছিল। নানা আলোচনার পর সান মারিনোর বিপক্ষে ম‍্যাচের সপ্তাহ দুয়েক আগে কোচের নিয়োগ চূড়ান্ত হলো।

আগামী ৫ জুন প্রীতি ম‍্যাচে সান মারিনোর বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ইউরোপের কোনো দেশের বিপক্ষে এটাই হবে তাদের প্রথম ম‍্যাচ।

মার্কিন সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাবা এবং জার্মান মায়ের সন্তান ডুলি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত খেলেন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে। ১৯৯৪ সালে হয় তার বিশ্বকাপে অভিষেক, চার বছর পরের আসরে তিনিই নেতৃত্ব দেন দেশকে।

জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্লাবে ২০ বছর খেলার পর ২০০২ সালে ডুলি নাম লেখান কোচিংয়ে। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী কোচ ছিলেন তিনি, সে সময় দেশটির প্রধান কোচ ছিলেন জার্মান গ্রেট ক্লিন্সমান।  

২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এশিয়ার দেশ ফিলিপিন্সের প্রধান কোচ ছিলেন ডুলি। তার কোচিংয়ে ফিলিপিন্স অপরাজিত থেকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয় এবং নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিং অর্জন করে।

২০২২ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন‍্য ফের ফিলিপিন্সের কোচ হন ডুলি। ২০২৫ থেকে কিছু দিন আগ পর্যন্ত ছিলেন গায়নার প্রধান কোচ। তার কোচিংয়ে চার ম‍্যাচ খেলে চারটিতেই জয় পায় মধ‍্য আমেরিকার দেশটি।

বাফুফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একটি দল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে দক্ষ ডুলি এবং এশিয়ার ফুটবলের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তার রয়েছে গভীর ধারণা।

“বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সফল এক দলে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এবার নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন ডুলি।”