বায়ার্নে ১০ বছরে ২০ ট্রফি জিতে এখন রোনালদোর ক্লাবে কোমান
বায়ার্ন মিউনিখের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের নায়ক এই ফরাসি উইঙ্গার যোগ দিলেন সৌদি ক্লাব আল নাস্রে।
বায়ার্ন মিউনিখের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি পর্বে প্রবলভাবেই ছিলেন কিংসলে কোমান। এক সপ্তাহ আগে গোলও করেছেন টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে। সেই তিনি এখন আর বায়ার্নের নন। ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড পাড়ি জমালেন আল নাস্রে।
জোয়াও ফেলিক্স, ইনিগো মার্তিনেসের মতো এবার কোমানকে নিয়ে শক্তি আরও বাড়াল আল নাস্র। আক্রমণভাগে অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গী হবেন ফরাসি এই উইঙ্গার।
আল নাস্র শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে জানায়, তিন বছরের চুক্তিতে কোমানকে দলে নিয়েছে তারা। জার্মান সংবাদমাধ্যমের খবর, ট্রান্সফার ফির অঙ্কটা তিন কোটি ইউরো। সঙ্গে অন্যান্য সংযুক্তি ৫০ লাখ ইউরো।
আট বছর বয়সে পিএসজির একাডেমিতে পা রেখে এই ক্লাবের হয়েই ১৭ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে পথচলা শুরু কোমানের। তবে এক মৌসুম খেলেই নতুন ঠিকানা বেছে নেন তিনি। ২০১৪ সালে পাড়ি জমান ইউভেন্তুসে। সেখানেও খুব সুবিধা করতে পারছিলেন না। পরের বছরই তাকে ধারে পাঠানো হয় বায়ার্ন মিউনিখে।
বায়ার্নে দুই বছরের ধারের চুক্তিতে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে ২০১৭-১৮ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। ওই বছরের ডিসেম্বরে তাকে পাকাপাকি চুক্তিতে নিয়ে নেয় বায়ার্ন। সেই পথচলা এবার শেষ হলো।
বায়ার্নের হয়ে ১০ বছরে ৯টি বুন্ডেসলিগা, একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপসহ মোট ২০টি ট্রফি জিতেছেন কোমান। ২০১৯-২০ আসরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তার গোলেই শিরোপা জিতেছিল বায়ার্ন।
তার বিদায় বেলায় সেই গোলটির কথাই মনে করলেন বায়ার্নের ক্রীড়া পরিচালক মাক্স ইবেল।
“২০২০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে গোল করে আমাদের ক্লাবের ইতিহাসে চিরন্তন জায়গা পেয়ে গেছে কিং। সে সবসময়ই বায়ার্ন মিউনিখের অংশ হয়ে থাকবে। নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য তাকে শুভ কামনা জানাই আমরা।”
সব মিলিয়ে বায়ার্নের হয়ে ৩৩৯ ম্যাচে তার গোল ৭২টি, গোলে সহায়তা করেছেন ৭১টি।
ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি ৫৮ ম্যাচ। ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি চোটের কারণে, গত বিশ্বকাপে রানার্স আপ হওয়া দলে ছিলেন তিনি।
