দুয়ের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়িয়ে একটু এগিয়ে রইল পিএসজি
মোনাকোর বিপক্ষে দুই গোল হজমের পর, তিন গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় ওঠার পথে এগিয়ে গেল শিরোপাধারীরা।
ম্যাচের ৫৫ সেকেন্ডেই পিএসজির জালে জড়াল বল। সেই রেশ না কাটতেই তারা গোল হজম করল আরেকটি। এর সঙ্গে যোগ হলো ভিতিনিয়ার পেনাল্টি মিস আর উসমান দেম্বেলেকে হারানোর হতাশা। তবে, ব্যালন দ’র জয়ীর বদলি নেমে চিত্র পাল্টে দিলেন দিজিরে দুয়ে। তার জোড়া গোলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে মোনাকোকে হারাল লুইস এনরিকের দল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ প্লে-অফের প্রথম লেগে মঙ্গলবার প্রতিপক্ষের মাঠে ৩-২ গোলে জিতেছে পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরোটা সময় অবশ্য একজন কম নিয়ে খেলেছে স্বাগতিকরা।
ফোলারিনের জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ব্যবধান কমান দুয়ে। প্রথমার্ধেই সমতা টানেন আশরাফ হাকিমি। বিরতির পর নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান গড়ে দেন দুয়ে।
এই জয়ে শেষ ষোলোয় ওঠার পথে একটু এগিয়ে রইল শিরোপাধারীরা। আগামী সপ্তাহে ঘরের মাঠে ফিরতি লেগ খেলবে তারা।
ম্যাচ শুরু হতে না-হতেই গোল খেয়ে বসে পিএসজি। তাদেরই ভুলে মাঝমাঠে বল পেয়ে আক্রমণে ওঠে মোনাকো। বাঁ দিক থেকে আলেকসান্দার গোলোভিনের ক্রসে কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান অরক্ষিত ফোলারিন।
বল দখলে অনেক এগিয়ে থাকলেও শুরুতে আক্রমণে সুবিধা করতে পারছিল না পিএসজি। উল্টো অষ্টাদশ মিনিটে আরও পিছিয়ে পড়ে তারা। এক সতীর্থের পাস ধরে বক্সে ঢুকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফোলারিন।
চার মিনিট পর পিএসজির হতাশা আরও বাড়ে। ভিতিনিয়ার স্পট কিক ঠেকিয়ে দেন মোনাকোর গোলরক্ষক। খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পেয়েছিল সফরকারীরা।
২৭তম মিনিটে আরেক বড় ধাক্কা খায় পিএসজি। চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন দেম্বেলে। তার বদলি নামার দুই মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান কমান দুয়ে। বার্কোলার পাস বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
৪১তম মিনিটে দলের সমতায় ফেরা গোলেও অবদান আছে দুয়ের। বক্সের বাইরে থেকে তার জোরাল শট গোলরক্ষক ফেরানোর পর, বক্সের ভেতর থেকে শটে জালে পাঠান হাকিমি।
৪৮তম মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মোনাকো। ভিতিনিয়াকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন দলটির মিডফিল্ডার গোলোভিন।
৬৭তম মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে পিএসজিকে এগিয়ে নেন ভিতিনিয়া। বক্সে ওয়ারেন জাইরে এমেরির পাস পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
বাকি সময়ে আরও কিছু সুযোগ পায় পিএসজি। তবে তাদের কয়েকটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি মোনাকোর গোলরক্ষক।
