কমনওয়েলথ গেমস ভারোত্তোলনে পঞ্চম বাংলাদেশের আশিকুর
৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচ ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক মিলিয়ে ২১১ কেজি তুলেছেন এই ভারোত্তোলক।
বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসের ভারোত্তোলন ডিসিপ্লিনের ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে পঞ্চম হয়েছেন বাংলাদেশের আশিকুর রহমান তাজ।
শনিবার এই ইভেন্টের স্ন্যাচে ৯৩ এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১৮ কেজি মিলিয়ে মোট ২১১ কেজি তোলেন আশিকুর।
সব মিলিয়ে ২৪৯ কেজি তুলে গেমসের রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন মালয়েশিয়ার মোহামাদ অনিক বিন কাসদান।
ভারতের সংকেত মহাদেব ২৪৮ কেজি তুলে রুপা এবং শ্রীলঙ্কার দিলাঙ্কা ইসুরু কুমারা ২২৫ কেজি উত্তোলন করে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ।
বাংলাদেশের ভারোত্তোলক হিসাবে ৫৫ কেজি ওজন শ্রেনিতে পঞ্চম হওয়ার মধ্যেও প্রাপ্তি আছে তাজের। ২০০৬ সালে মেলবোর্নের আসরে ৫৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে বাংলাদেশের একরামুল হক স্ন্যাচ ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক মিলিয়ে ২১৮ কেজি তুলেছিলেন; ১৪ প্রতিযোগীর মধ্যে হয়েছিলেন অষ্টম।
সব ওজন শ্রেণি মিলিয়ে এই গেমসের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো ভারোত্তোলক পঞ্চম হননি আগে কখনও। হামিদুল ইসলাম, মোল্লা সাবিরা সুলতানা ও মাবিয়া আক্তার সীমান্ত এর আগে সর্বোচ্চ ষষ্ঠ স্থান পেয়েছিলেন।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) জানিয়েছে মেয়েদের ভারোত্তোলনের ৪৯ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচ (৫৫) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (৭০) মিলিয়ে ১২৫ কেজি তুলে ১১ প্রতিযোগীর মধ্যে ১০ম হয়েছেন মার্জিয়া আক্তার ইকরা।
সাঁতারেও সাদামাটা বাংলাদেশ। ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলের হিটে ৩০ দশমিক ২২ সেকেন্ড সময় নিয়ে ৬৮ জনের মধ্যে ৬১তম হয়েছেন সোনিয়া খাতুন। ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে ১ মিনিট ৭ দশমিক ৯২ সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজের হিটে ষষ্ঠ হন সুকুমার রাজবংশী। সব মিলিয়ে হিটে ৩৬ জনের মধ্যে ৩০তম হন তিনি।
টেবিল টেনিসের দলগত বিভাগে কোয়ার্টার-ফাইনাল খেলা আগেই নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মুহতাসিন আহমেদ হৃদয়, রামহীম বমরা পেরে ওঠেননি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ৩-০ সেটে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবলসের ম্যাচে বাংলাদেশের রিফাত সাব্বির-মুফরাদুল হামজা জুটি হেরে যায় ১১-১, ১১-৫, ১১-৬ গেমে। সিঙ্গেলসের ম্যাচে হৃদয় ১১-৩, ১১-৮, ১১-৩ গেমে এবং হামজা ১১-২, ১১-১, ১১-৮ গেমে হেরে যান।
