Published : 07 Oct 2025, 06:20 PM
গত মৌসুম খুব বাজে কেটেছে ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার জন স্টোন্সের। একের পর এক চোটে ভুগেছেন তিনি। তাতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে খেলতে পারেননি ৩০টির বেশি ম্যাচ। ভীষণ কঠিন সেই সময়ে মাত্র ৩০ বছর বয়সেই অবসরের ভাবনা পেয়ে বসেছিল তাকে।
বিবিসি রেডিও ফাইভের লাইভে পেছনের কঠিন সেই সময়ের স্মুতি রোমন্থন করেন স্টোন্স।
“গত মৌসুম আমার জন্য এতটাই কঠিন ছিল যে, একটা পর্যায়ে আমি থেমে যাওয়ার (অবসর নেওয়ার) কথাও ভেবেছিলাম। আমি সেটা করতে চাইনি। যথেষ্টর চেয়েও যেন বেশি পেশাদার হওয়ার এবং সামর্থ্যের মধ্যে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলাম, কোনো সমাধান পাচ্ছিলাম না। সময়টা ছিল ভীষণ কঠিন।”
“একটা সময় আসে যখন বোঝা যায় না যে, কেন এমন হচ্ছে এবং অনেক পরিশ্রম করার পর, সর্বোচ্চ পেশাদার হওয়ার পরও খেলতে না পারলে কিংবা খেলার জন্য প্রস্তুত হতে না পারলে সবকিছু আরও বেশি কষ্টদায়ক হয়… তখন সেটা মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। আশা করি, আমি আর কখনও সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাব না।”
এভারটন থেকে ২০১৬ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন স্টোন্স। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন পেপ গুয়ার্দিওলার দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। কিন্তু চোটের ধাক্কায় গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে মাত্র ১১টি ম্যাচে খেলতে পারেন তিনি।
এখন অবশ্য তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠেছেন। যদিও শুরুর একাদশে তার জায়গা নিশ্চিত নয় এখনও।
“সেই সময় খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে পারতাম না। (সেই সময়ে) হয়তো আমি সত্যি সত্যি এটা (অবসর) করতাম না। বছর কয়েক আগে সিটি আমাকে নতুন চ্যালেঞ্জ দেওয়ার সময় বলেছিলাম, ‘আমি লড়াই করব।’ ছোটবেলা থেকে এটাই শিখেছি, তাহলে এখন কেন থামব?”
“তাই হ্যাঁ, আমার মধ্যে এখনও সেই লড়াকু মানসিকতা আছে, সেই জয়ের ক্ষুধা আছে, যা থামতে চায় না।”