Published : 03 Jul 2026, 11:38 AM
পোস্টে যেন চীনের প্রাচীর উনাই সিমোন। লামিন ইয়ামাল পুরো খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করেন জাদুকরী ড্রিবলিংয়ে। ফিনিশিংয়ে দারুণ দক্ষ মিকেল ওইয়ারসাবাল সারেন বাকিটা। তাদের দ্যুতিতে ২০১০ আসরের পর বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে প্রথম জয় পেল স্পেন।
অস্ট্রিয়াকে শেষ বত্রিশের ম্যাচে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। ম্যাচে সিমোন, ইয়ামাল, ওইয়ারসাবালদের হাতে ধরা দিয়েছে দারুণ কিছু অর্জন। সেগুলো তুলে ধরা হলো-
১
ইতালির ওয়াল্তার জেঙ্গাকে (৫১৮) পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সময় জাল অক্ষত রাখলেন উনাই সিমোন। দুটি ভিন্ন আসর মিলিয়ে ৫১৯ মিনিটে জালে বল যেতে দেননি স্পেনের গোলরক্ষক।
১০+
১৮ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ১৯৬৬ সাল থেকে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ম্যাচে দুটি রেকর্ড গড়েছেন। ১৪বার প্রতিপক্ষের বক্সে বল স্পর্শ করেছেন তিনি। আর ১০টি সফল ড্রিবল করেছেন তিনি।
১
স্পেনের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি ভিন্ন ম্যাচে একাধিক গোল করেছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
২
পাউ কুবার্সি ও ইয়ামাল ৬৮ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ শুরু করা প্রথম টিনএজার জুটি। প্রথম কারা? ১৯৫৮ সালের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে খেলা ব্রাজিলের পেলে ও আলতাফিনি।
১০০%
শুরুর একাদশে ইয়ামাল ছিলেন এমন বড় প্রতিযোগিতায় আট ম্যাচেই জিতেছে স্পেন। এটা ইউরোপের যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্য ইউরো ও বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে থেকে শতভাগ জয়ের সেরা রেকর্ড।
১২
চলতি আসরে প্রতি ৯০ মিনিটে গড়ে ১২টি ড্রিবল করছেন ইয়ামাল। ১৯৯৮ সালের পর অন্তত ২০০ মিনিট খেলেছেন এমন যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ। ১৯৯৮ আসরে জে জে ওকোচাও ৯০ মিনিটে গড়ে ১২টি ড্রিবল করেছিলেন।