Published : 02 Jul 2026, 05:40 PM
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জোড়া গোলে কেবল ইল্যান্ডের স্বপ্নই বাঁচিয়ে রাখেননি হ্যারি কেইন গড়েছেন অনেক কীর্তি। জাগিয়েছেন আরও বড় অর্জনের সম্ভাবনা। ফুটবল কিংবদন্তি পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ গোলদাতা ইংলিশ অধিনায়ক।
মিরোস্লাভ ক্লোসা ও গার্ড মুলারের পর হেড থেকে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোল করেছেন এই ফুটবলার। পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার পর প্রথমবার বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে জিতে ইংল্যান্ড।
শেষ বত্রিশে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের অর্জন, কীর্তিগুলো তুলে ধরা হলো-
৫
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে জয় পায় ইংল্যান্ড। নকআউট পর্বে তারকা স্ট্রাইকারের মোট গোল হলো পাঁচটি। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে যা যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পাঁচটি গোল আছে জিওফ হার্স্টেরও।
ছয় গোল করে তাদের উপরে কেবল গ্যারি লিনেকার।
১৩
বিশ্বকাপে কেইনের গোল হলো ১৩টি। পেলেকে ছাড়িয়ে এখন তিনি যৌথভাবে বিশ্বকাপের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ গোলদাতা। এক আসরেই ১৩ গোল করা ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেনের সঙ্গে আছেন তিনি।
৬
ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে পাঁচ কিংবা ততোধিক গোল করেছেন কেইন। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন তেওফিলো কুবিলাস, মিরোস্লাভ ক্লোসা, টমাস মুলার, লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপে।
১
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বদলি নেমে দুই বা ততোধিক অ্যাসিস্ট করেছেন অ্যান্থনি গর্ডন। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে নিয়মিত রেকর্ড রাখা হচ্ছে। সে হিসেবে তিনিই প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে এই কীর্তি গড়লেন।
১
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বকাপে প্রথমবার কোনো ম্যাচ জিতেছে ইংল্যান্ড।
২
দ্বিতীয়বার আগে গোল হজম করে ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। এর আগে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতেছিল দলটি।
৩
ম্যাচের যে কোনো মুহূর্তে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বকাপে এটা ইংল্যান্ডের তৃতীয় জয়। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালের পর, ১৯৯০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে জিতেছিল ইংল্যান্ড।
৪
চতুর্থ ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে নক আউট পর্বের কোনো ম্যাচে একাধিক গোল করলেন কেইন। লিনেকারের পর কেইন প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন। ১৯৯০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে লিনেকার জোড়া গোল করেন।
৪
বিশ্বকাপে মোট চারবার হেডে গোল করেছেন কেইন। তার উপরে আছেন শুধুমাত্র ক্লোসা (৭) ও গার্ড মুলার (৫)।
১০
বিশ্বকাপে আফ্রিকার দেশগুলোর বিপক্ষে একরকম অপ্রতিরোধ্য ইংল্যান্ড। ১০ ম্যাচে ছয় জয়ের বিপরীতে ড্র চারটি।