এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপ
Published : 04 Oct 2025, 07:23 PM
মূল লক্ষ্য এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই। যদিও বাছাই ঘিরে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী নয়, তবে প্রস্তুতির কমতি রাখতে চাইছে না বাংলাদেশ। সেজন্য দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দিচ্ছে দল। সেখানে সংযুক্ত আবার আমিরাত ও সিরিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়াই লক্ষ্য মেয়েদের।
বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সাইফুল বারী টিটু। শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে টিটুর হাতে দলের হাল তুলে দেওয়ার কারণ হিসেবে বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেছেন, দলের ‘আরও ভালো অনুশীলনের’ প্রয়োজনের কথা।
বাছাইয়ের অনুশীলন অবশ্য পর্যাপ্ত হয়নি। সপ্তাহখানেক আগে থেকে মেয়েরা ট্রেনিং করছে টিটুর অধীনে। রোববার দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়ে সেখানে মঙ্গলবার সিরিয়া ও বৃহস্পতিবার স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলে ‘আসল প্রস্তুতি’ নিতে চান কোচ।
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই নিয়ে যদিও বড় স্বপ্ন দেখাননি তিনি।
“আমি মনে করি আসল প্রস্তুতি দুবাইয়ে হবে। আসরে ওরা (জর্ডান ও চাইনিজ তাইপে) আমাদের চেয়ে এগিয়ে। ওদের কোনো ভিডিও দেখি নাই। একটা ম্যাচের হাইলাইটস দেখেছি, জর্ডান খুব পাওয়ারফুল দল। প্রথম ম্যাচ আমাদের জর্ডানের সঙ্গে। আগে ওই দুই দলের খেলা হলে তাদের দেখে নিতে পারতাম।”
“আমাদের উন্নতি যেমন হয়েছে, তেমনি জর্ডানেরও উন্নতি হয়েছে। এক সময় মালদ্বীপ আমাদের সামনে দাঁড়াতে পারত না, কিন্তু তারা এখন ভালো খেলছে। বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি দেখেই বিচার করতে হবে। তবে আমাদের মেয়েরাও শক্তিশালী।”
বাছাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৩ অক্টোবর স্বাগতিক জর্ডানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। চার দিন পর খেলবে চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে। বাছাইকে উঠতি মেয়েদের জন্য ‘শিক্ষণীয় টুর্নামেন্ট’ মানছেন বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান কিরণ।
“আগে যে দুইটা দল (সিনিয়র ও অনূর্ধ্ব-২০) কোয়ালিফাই করেছে, তারা লম্বা সময় অনুশীলন করে সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু এদের সেভাবে ট্রেনিং করাতে পারিনি। এটা ওদের জন্য শিক্ষণীয় টুর্নামেন্ট। তবে আমাদের প্রত্যাশা থাকাবে ওরা কোয়ালিফাই করে আসুক। তাহলে ওই দুইটা টিমের মতো এদের জন্য সেভাবে সুযোগ সুবিধা করে দেওয়া হবে।”
অনেকটা একই সুর অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাসের কণ্ঠেও।
“আমাদের প্রস্তুতি ভালো। সর্বশেষ সাফে ভাল খেলেছি। দুবাইয়ে শিখব, সেটা জর্ডানে কাজে লাগাব।”