তিনটি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে ‘বিশেষ ভাবনা’ ডেভেলপমেন্ট কমিটির
বাফুফের এলিট একাডেমি, বিকেএসপি ও দেশের অন্যান্য একাডেমির মধ্যে সমন্বয় করে সেরা উঠতিদের নিয়ে দল গোছানোর ভাবনাও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ডেভেলপমেন্ট কমিটির।
এ বছর তিনটি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে অংশ নিবে বাংলাদেশ। এজন্য বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ডেভেলপমেন্ট কমিটি। এলিট একাডেমি, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি এবং দেশের অন্যান্য একাডেমির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাছাইকৃত খেলোয়াড় নিয়ে দল গড়ার লক্ষ্য কমিটির।
আগামী মে মাসে মাঠে গড়াবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ, বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। অক্টোবরে আছে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ, এই আসরে বাংলাদেশ রানার্সআপ। আর নভেম্বরে শুরু হবে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত অক্টোবরে বাফুফের নির্বাচনের পর সোমবার ডেভেলপমেন্ট কমিটি প্রথম সভায় এই তিন টুর্নামেন্ট নিয়ে করণীয় ছিল মূল আলোচ্য বিষয়। আলোচনায় বিভিন্ন একাডেমির সাথে সংযোগ ও সমন্বয় এবং টুর্নামেন্ট তিনটির জন্য শক্তিশালী দল গঠনে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী।
“বয়সভিত্তিকে আন্তর্জাতিক তিনটি টুর্নামেন্ট আছে এ বছর। ভারতে মে মাসে হবে সাফের অনূর্ধ্ব-১৯ ও অক্টোবরে অনূর্ধ্ব-১৭-এর টুর্নামেন্ট, নভেম্বরে এএফসির। এই তিনটা টুর্নামেন্টে আমরা অংশ নিব এবং এজন্য ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নিব। এই টুর্নামেন্টের জন্য এলিট একাডেমি, বিকেএসপি ও যশোর নাজমুল হুদা ফুটবল একাডেমি, এমন সব প্রতিষ্ঠানের সাথে কোলাবোরেট করে শক্তিশালী দল গঠন করব।”
কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে চলছে বাফুফের নিয়ন্ত্রণাধীন এলিট একাডেমির কার্যক্রম। একাডেমির উঠতি ফুটবলারদের আবাসন থেকে শুরু করে নানা দিকের মানোন্নয়নের দিকেও গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে হয়েছে বলে জানান নাসের শাহরিয়ার।
“দেখা যাচ্ছে, আমাদের এলিট একাডেমিতে খুব ভালো কোচ আছে, কিন্তু আরেকটা একাডেমিতে ভালো সুযোগ সুবিধা আছে, তবে ভালো কোচ নেই। বিকেএসপিতে ভালো কোচ এবং সুযোগ-সুবিধা আছে, কিন্তু হয়ত একটা সংখ্যার সীমাবদ্ধতা আছে তাদের। তো আমরা মনে করি, এগুলোর মধ্যে যদি আমরা সমন্বয় আনতে পারি, তাহলে আমাদের ফুটবলের উন্নতি হবে।”
“এলিট একাডেমির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গোলাম রব্বানী ছোটনকে, সে বিষয়টি আজ আমরা অনুমোদন দিয়েছি। এলিট একাডেমিকে আরও উন্নত করার জন্য আমরা একটা সাবকমিটি গঠন করেছি। যারা এখানে ছাত্র আছে, তাদের আবাসন কিভাবে আরও উন্নতি করা যায়। এছাড়া বিকেএসপি ও দেশে আরও যেসব ভালো ভালো একাডেমি আছে, তাদের সাথে নেটওয়ার্কিং করে খেলোয়াড়দের আরও উন্নতি করানো যায়, সেই পদক্ষেপ নিব।”
