মাথা ফাটলেও লড়াই করে হারলেন সেলিম
প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথা ফেটে গেলেও রিং ছাড়েননি বাংলাদেশের এই বক্সার।
প্রথম রাউন্ডেই প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথা ফাটল। কিন্তু সেলিম হোসেন কাউকেই কিছু বলেননি! বক্সিংয়ের রিংও ছাড়েননি! তিন রাউন্ডই লড়লেন। হারলেন। এরপর রিং ছেড়ে এসে বললেন, তার মাথা ফেটে যাওয়ার কথা!
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের বক্সিংয়ে ছেলেদের ৬০ কেজি ওজন শ্রেণিতে থাইল্যান্ডের সাকাদা রুয়ামথামের কাছে ৫-০ ব্যবধানে হেরেছেন সেলিম।
নিশিও জিমনেশিয়ামের রিংয়ে প্রিলিমিনারি রাউন্ডের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ের প্রথম রাউন্ডেই প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথা ফাটে সেলিমের। কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই বক্সার কাউকে কিছু না জানিয়ে খেলা শেষ করেন। কিন্তু তার এই ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে বিস্মিত বক্সিং দলের ম্যানেজার গাজী কামরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দিলেন স্বস্তির খবর।
“প্রথম রাউন্ডেই মাথায় আঘাত পেয়েছিল সে। আম্পায়ার খেয়াল করেনি। সেলিম নিজেও কাউকে কিছু বলেনি। তিন রাউন্ডই খেলেছে। জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছে। ও আসলে দেশপ্রেমের জন্যেই ঝুঁকিটা নিয়ে। একটু বেশি আবেগপ্রবণ ছেলে। সেনাবাহিনীর বক্সার তো।
“পাঁচটা সেলাই লেগেছে। এখন ওষুধ দিয়েছে। ২৭ তারিখ পর্যন্ত থাকতে বলেছে ডাক্তাররা। ২৬ তারিখে ডাক্তার দেখবেন। স্বস্তির কথা হচ্ছে, আপাতত ভয়ের কিছু নেই। এখন তাকে বিশ্রাম নিতে হবে। আল্লাহর রহমতে সে এখন শঙ্কামুক্ত।”
বুধবার পুরুষদের সাইক্লিংয়ে রোড রেসিংয়ে বাংলাদেশের সবুর হোসেন অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে পারেননি। দুদিন আগে থেকে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিলেও নিজের ইভেন্টে অংশগ্রহণের মতো ফিটনেস ফিরে পাননি।
এই ইভেন্টে বাংলাদেশের আরেকজন প্রতিযোগী শাহাদাত হোসেন অংশ নেন। তবে তিনিও পুরো রেস শেষ করতে পারেননি। প্রথম ল্যাপের পর প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন।
