১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আরও কিছু দিন দি মারিয়াকে দলের সঙ্গে চান স্কালোনি

তবে কোপা আমেরিকার ফাইনালে যাই হোক না কেন অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন পর্যন্ত অনড় অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Jul 2024, 01:24 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:58 AM

আর কেবল একটি ম‍্যাচ! জাতীয় দলের জার্সিতে এরপর আর দেখা যাবে না আনহেল দি মারিয়াকে। তবে সৃষ্টিশীল অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের ব‍্যাপারে এখনই হাল ছাড়ছেন না লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী কোচ আরও কিছু দিন দি মারিয়াকে দলে দেখতে চান। 

তবে নিজের সিদ্ধান্তে এখন পর্যন্ত অনড় আছেন ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। গত অক্টোবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোপা আমেরিকা দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে চান তিনি। 

বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। সেমি-ফাইনাল শেষে স্কালোনি জানান, ফাইনাল দিয়ে দি মারিয়াকে বিদায় জানাতে চান না তিনি।  

“আনহেলের ব্যাপারে কেমন অনুভূতি তা আপনারা জানেন। আমরা তাকে প্রয়োজনের আগে অবসরে দেখতে চাই না।”

“আমরা বিষাদ অনুভব করতে চাই না। তাকে খেলতে দিতে হবে। এরপর দেখা যাক আমরা তাকে আরও কিছু দিন আমাদের সঙ্গে থাকতে রাজি করা পারি কিনা। আপাতত সে এখানে আছে এবং তাকে সময়টা উপভোগ করতে দিতে হবে।”

দি মারিয়ার মতো লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত অবসরের কোনো ঘোষণা দেননি। তবে শেষের বাঁশি যে বাজতে শুরু করেছে তা অনুমান করা কঠিন নয়। আর্জেন্টিনা কোচ অবশ্য সে আলোচনায় যেতে চান না। মেসির জন্য সবসময় দরজা খোলা রাখার কথা বললেন তিনি।

“লিওর জন্যও বিষয়টা আনহেলের মতো। আমাদের অবশ্যই তাকে খেলতে দিতে হবে এবং আমরা কখনও দরজা বন্ধ করব না। সে যতদিন চায় আমাদের সঙ্গে থাকতে পারে। আর যদি সে অবসর নেয়ও, এসে দেখাসাক্ষাৎ করতে পারে। সেটি দারুণ হবে।”

বছর দুয়েক আগে কাতার বিশ্বকাপ দিয়েই জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন দি মারিয়া। তবে তাকে বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নের বেশে দেশের হয়ে কিছু ম‍্যাচ খেলে যাওয়ার পরামর্শ দেন দীর্ঘ দিনের সতীর্থ মেসি।

কানাডার বিপক্ষে শুরুর একাদশে খেলা দি মারিয়ার কথায় অনেকটাই স্পষ্ট, তিনি মন স্থির করেই খেলছেন এবারের আসরে।   

“১৪ তারিখে (ফাইনাল ম্যাচে) যা-ই হোক না কেন, আমি (বিদায়ের) দরজা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারব। আমি সব কিছু দিয়ে দিয়েছি।”

“এই জার্সির জন্য সবসময় আমি জীবন দিয়ে দিয়েছি। কখনও কখনও সেই আবেগটা আমাকে স্পর্শ করেনি। তবে শেষ দিকে বুঝতে পারছি। যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।”