ইয়ামালকে ঠেকানোর সেরা উপায় ‘জানেন’ এনরিকে
পিএসজি কোচের ধারণা, বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে অকার্যকর করে রাখার সেরা উপায় হবে বল নিজেদের দখলে রাখা।
বার্সেলোনার বিপক্ষে লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে লামিন ইয়ামালকে সামলানো। স্বাভাবিকভাবেই এটা নিয়ে বেশি ভাবছেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। বিশেষ করে চোটের জন্য নুনো মেন্দস ছিটকে যাওয়ায় চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন হতে পারে। তাই দল হিসেবে ইয়ামালকে অকার্যকর করে রাখার পরিকল্পনা আঁটছেন এনরিকে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মঙ্গলবার রাত ১টায় বার্সেলোনার মুখোমুখি হবে গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
বার্সেলোনারই একজন সদস্য এনরিকে। তার স্ত্রী সন্তান কাতালান। স্পেনের ক্লাবটিতে তিন বছর খেলেছেন তিনি, কোচিং করিয়েছেন তিন বছর। ভক্ত হিসেবে বার্সেলোনার সব ম্যাচই দেখেন তিনি। তবে পিএসজি কোচ হিসেবে ঘরের মাঠে জয় ছাড়া আর কিছু ভাবছেন না এনরিকে।
কাজটা যে মোটেও সহজ হবে না, জানেন এনরিকে। চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছে বার্সেলোনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে জিতেছে টানা ১১ ম্যাচে। এতে বড় ভূমিকা আছে ইয়ামালের। অনেকেই তার মাঝে দেখছেন লিওনেল মেসির ছায়া। তবে এই মহাতারকার সঙ্গে বার্সেলোনার তরুণ তারকার তুলনা করতে মানা করলেন এনরিকে।
“আমি মনে করি, লামিন খুব ভালো করছে এবং সে লামিন ইয়ামাল হতে চায়। সে নিজের খেলার বিভিন্ন দিকের উন্নতি করছে। সবসময়ের সেরা খেলোয়াড় মেসির সঙ্গে তুলনার ব্যাপারে, অন্য কেউ তাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না। লামিন নিজের সেরা পর্যায়ে যেতে চায় আর তাকে কারও সঙ্গে তুলনা না করাই ভালো হবে।”
শুধু ইয়ামালকে ঠেকানো নয়, বার্সেলোনাকে হারাতেও বলের দখল নিজেদের কাছে রাখার বিকল্প দেখেন না এনরিকে।
“আমার কোচিং ক্যারিয়ারে এমন একটা ম্যাচও নাই যেখানে আমি স্বেচ্ছায় বলের দখল ছেড়ে দিয়েছি। যদি আপনি এই দলকে হারাতে চান, তো বল নিজের দখলে আপনার রাখতেই হবে। ড্রিবলিং করা থেকে ইয়ামালকে আমরা বিরত রাখতে পারব না, অথবা অবিশ্বাস্য পাস দেওয়া থেকে পেদ্রিকে বিরত রাখতে পারব না… আমাদের দল হিসেবে এই সব পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।
“ইয়ামালের বিপক্ষে রক্ষণের সেরা উপায় হলো, বল নিজের দখলে রাখা। যদি আপনি বল সারাক্ষণ নিজের কাছে রাখতে পারেন, সেটা হবে আদর্শ। আমরা জানি, বার্সা ও লামিনের বিপক্ষে খেলা কতটা কঠিন হবে। নিজেরা যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব আমরা কেবল সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছি। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং দলীয় প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে নুনো মেন্দসের অভাব কাটিয়ে উঠতে হবে।”
