ফেনীতে `গাড়ি চোর চক্রে’র ২ সদস্য গ্রেপ্তার, পিকআপ উদ্ধার
ইয়াছিন নিজেই পিকআপটি সরিয়ে মালিককে ফোনে জানান ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মোড় থেকে গাড়িটি চুরি হয়েছে।
ফেনীতে চুরি করা পিকআপসহ দুই চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদেরকে ‘আন্তঃজেলা গাড়ি চোর চক্রে’র সদস্য বলছে র্যাব।
বুধবার রাতে সদর উপজেলার বিসিক রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৭ ফেনী ক্যাম্পের অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার সাদেকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন, আজাদ হোসেন ওরফে হৃদয় (২৮) ও মো. ইয়াছিন (২৩)। তারা দু’জনেই পেশায় গাড়িচালক।
আজাদ ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার ধলিয়া গ্রামের শাহাদাত হোসেন দুলালের ছেলে। ইয়াছিন চট্টগ্রাম জেলার বায়োজিদ বোস্তামি থানার বাংলা বাজার এলাকার রমজান আলীর ছেলে।
র্যাব জানায়, পিকআপটির মালিক তিন মাস আগে চালক মো. ইয়াছিনের কাছে গাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে ইয়াছিন তার সহযোগীদের নিয়ে পিকআপটি চুরি করেন। এরপর মালিককে ফোনে জানান ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মোড় থেকে পিকআপটি চুরি হয়েছে।
এরপর মালিকের সঙ্গে তিনিও পিকআপটি খোঁজাখুজি করেন। পিকআপটি না পেয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর র্যাব অফিসে অভিযোগ করেন গাড়িটির মালিক।
এদিকে গোপন সূত্রে একটি চোরাই পিকআপ বিক্রয়ের জন্য চট্টগ্রামের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে পেরে বুধবার রাতে র্যাবের একটি দল বিসিক রোড সংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করে।
এ সময় একটি সন্দেহজনক পিকআপকে থামানোর সংকেত দিলে সেটি না থামিয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আজাদ ও ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার এবং পিকআপটি উদ্ধার করে।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ড্রাইভিং পেশার আড়ালে পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন প্রকার গাড়ি চুরি করত বলে জানিয়েছে। ফেনী এবং পাশের জেলা থেকে সুকৌশলে চুরি করা সেসব গাড়ি পরে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে বিক্রি করত।
এ ছাড়া আজাদের বিরুদ্ধে ফেনীর পরশুরাম থানায় এর আগের একটি প্রতারণা ও চুরির মামলা আছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব অধিনায়ক সাদেকুল আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামি ও উদ্ধার করা পিকআপটি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
[প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেসবুক লিংক]
