নেত্রকোণায় পানিতে ডুবে ৫ জনের মৃত্যু

এর মধ্যে তিন উপজেলার হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে তিন জেলে মারা যান।

নেত্রকোণা প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Sept 2022, 04:29 PM
Updated : 10 Sept 2022, 04:29 PM

নেত্রকোণার চার উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় হাওর ও পুকুরে ডুবে শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে বিকাল নাগাদ সদর, আটপাড়া, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলা থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার তারাকুড়িয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছয় বছর বয়সী ছেলে ইয়াসিন মিয়া, আটপাড়ার হরিপুরেরকান্দা গ্রামের জুয়েল মিয়ার ১৩ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা, একই উপজেলার দুওজ ইউনিয়নের কৈলং গ্রামের জব্বার ফকিরের ছেলে দিলোয়ার হোসেন দিলু (৩২), মদনের নয়াপাড়া গ্রামের সওদাগর মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৬) এবং মোহনগঞ্জের দরুণ বানিহারী গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫)।

নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, শনিবার বিকালে তারাকুড়িয়া গ্রামের শিশু ইয়াসিন বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ে খেলা করছিল। একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে পুকুরে ডুবে যায়। পরে পুকুরে ভেসে উঠলে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আটপাড়া থানার ওসি জাফর ইকবাল বলেন, হরিপুরেরকান্দা গ্রামের ফাতেমা বাড়ির সামনে খেলা করছিল। এক পর্যায়ে সে বাড়ির সামনের পুকুরে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্বজনরা তাকে পুকুরে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। পরে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে মদন, আটপাড়া ও মোহনগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে দমকা হাওয়ায় নৌকা ডুবিতে তিন মৎস্য শিকারীর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নেত্রকোণার পুলিশ সুপার (এসপি) ফয়েজ আহমেদ।

তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাতে মদনের মান্দারকাটা হাওরের মাছ ধরতে গিয়ে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হন। পুলিশ শনিবার সকালে হাওর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

দিলোয়ার হোসেন দিলু শুক্রবার রাতে আটপাড়ার গণেশের হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রবল দমকা বাতাসে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সকালে হাওর থেকে গ্রামবাসী তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

অপরদিকে, রাসেল শুক্রবার রাতে মোহনগঞ্জ উপজেলায় ডিঙ্গাপুতার হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে দমকা হাওয়ায় নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ হন। পরে পুলিশ ও ডুবুরিরা শনিবার বেলা ৩টার দিকে হাওর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক