২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগেরহাটে বিকাশ-নগদ প্রতারণার আন্তজেলা চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশের ভাষ্য, চক্রটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট নকল করে বিকাশ-নগদ গ্রাহকের সিম তুলত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 29 Sep 2026, 03:20 PM

Updated : 29 Sep 2026, 03:20 PM

বাগেরহাটে বিকাশ-নগদ গ্রাহকের সিম নকল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আন্তজেলা প্রতারক চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিমকার্ড ও ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।

গ্রেপ্তাররা হলেন-বাগেরহাটের ইয়াছিন সওদাগর (২১), শামীম শেখ (২৭), রাশেদ মোড়ল (২০), এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর ফেরদাউস (২১) ও মো. মামুন গাজী (২১), মুন্সীগঞ্জের আশ্রাফুল ইসলাম (২৬) ও মেহেদী হাসান (২৯) এবং বরগুনার মো. নাজমুল হাসান (২০)।

পুলিশ জানায়, ২৭ জুন মোংলা উপজেলার চিলা বাজার এলাকার দুই ব্যবসায়ীর সিম নকল করে বিকাশ ও নগদ থেকে আড়াই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে মোংলা থানায় মামলা হয়। ওই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পায় পুলিশ।

মামলার তদন্তে প্রথমে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, চক্রটি নকল ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে গ্রাহকের সিম তুলত। পরে ওই সিম ব্যবহার করে বিকাশ-নগদ অ্যাকাউন্টে ঢোকার চেষ্টা করত। এ জন্য তারা কলসেন্টারে ফোন করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা বলত এবং পরিচয় যাচাইয়ের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিত।

পুলিশের ভাষ্য, কলসেন্টারে সাধারণত যে প্রশ্ন করা হয়, সেগুলোর উত্তর আগে থেকেই জেনে রাখত চক্রের সদস্যরা। এভাবে তারা অ্যাকাউন্টের মালিক সেজে সেটি চালু করত।

পুলিশের দাবি, চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিল।

পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মোংলা থানায় ডিজিটাল সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে। চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।