১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মানুষের ঢল

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল ও রেল জংশন এলাকায় চার স্তরে নিয়োজিত রয়েছে চার হাজার নিরাপত্তাকর্মী ।

ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মানুষের ঢল

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সমাবেশস্থলের প্রবেশমুখে মানুষের ভিড়।

ফরিদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Oct 2023, 12:53 PM

Updated : 10 Oct 2023, 04:42 PM

পদ্মা রেল সেতু উদ্বোধন শেষে ট্রেনে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সমাবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগেই কানায় কানায় ভরে উঠছে সমাবেশস্থল ড. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়াম।

ভাঙ্গা উপজেলা সদরের এই স্টেডিয়াম মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই দূরদুরান্ত থেকে বিভিন্ন যানবাহনে আসা মানুষ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন সমাবেশ স্থলে।

Image

বিভিন্ন ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হয়েছেন নেতা-কর্মীরা।

এই জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের সকল ইউনিটের আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী জাহিদ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশকে সফল ও দৃষ্টিনন্দন করতে আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এক সপ্তাহ যাবত নিরলস ভাবে কাজ করে আসছে। মাঠে জমায়েতের পাশা-পাশি পৌর এলাকার সর্বত্র জাগয়া জুড়ে গণজমায়েত হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভাঙ্গার রেল জংশনে নামার পর থেকে সমাবেশ স্থলে আসা পর্যন্ত গোটা এলাকা জুড়েই থাকবে মানুষের উপস্থিতি ।

Image

প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে সড়ক জুড়ে তৈরি করা হয়েছে বহু তোরণ।

সমাবেশস্থলসহ পুরো এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে জানাতে পদ্মা সেতু থেকে শুরু করে ফরিদপুর অংশে রং-বেরংয়ের ব্যানার ফেস্টুন ও আলোকসজ্জায় সেজেছে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন স্থাপনা। সাজসজ্জার অংশ হিসেবে সড়ক জুড়ে টাঙানো হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র ব্যানার ও ফেস্টুন।

এ ছাড়া বিভিন্ন পদধারী নেতাদের বড় বড় ব্যানার ও সরকারের উন্নয়নের চিত্র শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন মোড়ে, রাস্তার পাশের দেয়াল ও গাছে গাছে।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল ও রেল জংশন এলাকায় চার স্তরে নিয়োজিত রয়েছে চার হাজার নিরাপত্তাকর্মী । সমাবেশস্থলসহ জংশন এলাকায় নিরাপত্তা চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

পুলিশ ও সরকারের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবের বিভিন্ন টিম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহলরত অবস্থায় রয়েছে। আইশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত পোষাকের পাশাপাশি সাদা পোষাকে ও অবস্থান নিয়েছেন ।

Image

সমাবেশস্থলে তৈরি করা মঞ্চ।

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে ট্রেন চলাচলে নতুন সংযোগে মাওয়া স্টেশন থেকে পদ্মা সেতু রেলপথের উদ্বোধন করেছেন। পরে মাওয়া থেকে ট্রেনে চড়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতুর রাজধানী প্রান্তে অবস্থান করছিলেন ।