Published : 23 Feb 2026, 09:44 PM
প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর বগুড়ায় আবারও শুরু হয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কাজ।
সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়ির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক রাজিয়া সুলতানা।
এ সময় কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বগুড়া জেলার সংগঠক এ টি এম রাশেদুল ইসলাম, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে রাজিয়া সুলতানা বলেন, “বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উদ্যোগটি খুব ভাল। সরকারি সহযোগিতায় সারাদেশে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি আবারও শুরু হল। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই বই পড়তে পছন্দ করে। ডিজিটাল যুগে এসেও শিশুদের বইয়ের প্রতি মনোযোগ তৈরিতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করছে কেন্দ্র।”
রাশেদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সব শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়া। নিজের দেশকে জানবে তারা, জানবে সারাবিশ্বকে।”
কেন্দ্র জানায়, বগুড়ার ৪৬টি নির্ধারিত জায়গায় যাবে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়ি। সেখান থেকে সরাসরি বই বিনিময় করতে পারবেন পাঠকরা।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র জানায়, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বই পৌঁছে দেওয়ার একটি অনন্য উদ্যোগ; যা ১৯৯৯ সালে শুরু হয়। ৭৬টি বিশেষায়িত বাহনের মাধ্যমে দেশের তিন হাজার ২০০ বেশি এলাকায় ৫ লক্ষাধিক পাঠকের কাছে এই লাইব্রেরি বই পৌঁছে দেয়।