Published : 20 Aug 2025, 06:25 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন এলাকাবাসী। এ সময় মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন বিক্ষোভকারীরা। এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বুধবার দুপুরে ‘বিজয়নগর সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে এই অবরোধ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় বিজয়নগর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজারো মানুষ সীমানা পুনর্বহালের দাবিতে স্লোগান দেন।
আন্দোলনে সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশ স্থানীয় ইমাম হোসেন, গিয়াসউদ্দিন মুন্সি, চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম, জাবেদ জয়, জামায়াতে ইসলামীর নেতা শিহাব উদ্দিন, হেফাজত নেতা মাওলানা আফজাল, রাস্টু সরকার, মাহবুব আলম, হাবিবুর রহমান মনির, গোলাম জহির এবং সাইফুল ইসলাম আনন্দ বক্তব্য দেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে তিতাস পূর্বাঞ্চলের ১০টি ইউনিয়নকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে। এখন বিজয়নগর উপজেলাকে ভাগ করে এলাকার উন্নতি ব্যাহত করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সীমানা বহাল রাখার দাবি জানান তারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ৩৯টি আসনের সীমানায় রদবদল এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সীমানায় রদবদল আনা খসড়া তালিকার ওপর ১০ অগাস্ট পর্যন্ত অভিযোগ জানানোর সুযোগ ছিল।
আগের মতো একই আসনে থাকার জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর একাধিক আবেদন জানিয়েছেন বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। খসড়া তালিকায় বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে কেটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
ইউনিয়নগুলো হলো- বুধন্তী, চান্দুরা ও হরষপুর। ভৌগোলিকভাবে ইউনিয়নগুলো উপজেলা সদরের নিকটবর্তী এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন আন্দোলনকারীরা।
বিজয়নগর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, বিক্ষোভকারীরা বেলা পৌনে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। তবে কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।