১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

হলফনামা: প্রবাসী স্বজন ও গণচাঁদায় মনীষার ভোট

হলফনামা অনুযায়ী, মনীষা চক্রবর্তীর বার্ষিক আয় তিন লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা।

বরিশাল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jan 2026, 10:23 AM

Updated : 26 Aug 2026, 05:32 PM

বরিশাল-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের নেত্রী মনীষা চক্রবর্তী প্রার্থী হয়েছেন। পেশায় চিকিৎসক এই প্রার্থীকে বামপন্থিদের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টও তাকে সমর্থন দিয়েছে।  

মনীষা চক্রবর্তী স্বল্প আয় ও সীমিত ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রবাসী স্বজন ও সাধারণ মানুষের সহায়তায় নির্বাচনি লড়াইয়ে নেমেছেন। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় দেওয়া তথ্যে তার স্বল্প আয়, সম্পদ, নির্বাচনি ব্যয়ের তথ্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

হলফনামা অনুযায়ী, মনীষা চক্রবর্তীর বার্ষিক আয় তিন লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক আমানত থেকে আয় হয়েছে ৬৯ হাজার ৩৭৩ টাকা এবং চিকিৎসা পেশা থেকে আয় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা।

তার ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩২ টাকা। সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ১২ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৮ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা চার লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৪ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এ ছাড়া উপহার হিসেবে পাওয়া পাঁচ ভরি স্বর্ণের কথাও হলফনামায় বলা হয়েছে।

হলফনামায় মনীষা চক্রবর্তীর কোনো অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ নেই। এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রেও তিনি কোনো সম্পত্তি পাননি বলে বলেছেন। 

মামলা সংক্রান্ত তথ্যে দেখা যায়, তিনি একসময় দুটি মামলার আসামি ছিলেন। এর মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। অপরদিকে দণ্ডবিধি আইনের একটি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ২২ লাখ ২৮ হাজার ৯৩২ টাকা। সর্বশেষ বছরে তিনি আয়কর পরিশোধ করেছেন চার হাজার ৬৪৬ টাকা।

সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ আসনে ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে সম্ভাব্য নির্বাচনি ব্যয় ৫০ লাখ টাকা। তবে মনীষা চক্রবর্তী হলফনামায় তার নির্বাচনি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন ১১ লাখ টাকা।

এই ব্যয়ের বড় অংশই আসছে প্রবাসী স্বজন ও গণচাঁদা থেকে। 

হলফনামা অনুযায়ী, নিজস্ব আয় থেকে তিনি ব্যয় করবেন ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া আমেরিকা প্রবাসী বোনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা, জার্মানি প্রবাসী চাচাত ভাইয়ের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা, বাবার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা, রাশিয়া প্রবাসী ফুফাত ভাইয়ের কাছ থেকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, জার্মানি প্রবাসী এক চিকিৎসক বন্ধুর কাছ থেকে এক লাখ টাকা, গণচাঁদা থেকে দুই লাখ টাকা এবং মাটির ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা নির্বাচনি ব্যয়ের জন্য দেখানো হয়েছে।