Published : 30 Nov 2024, 10:12 PM
পটুয়াখালী শহরে অন্তর্বর্তী সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের পর পাল্টা মিছিল করেছে জেলা ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।
শনিবার ভোরে শহরের থানাপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে সদর রোড হয়ে ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিলটি জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তারা মিছিলের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছেন।
ভোরের এ ঝটিকা মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এর প্রতিবাদে দুপুরে পাল্টা মিছিল করে জেলা ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভকারীরা ছাত্রলীগের সদস্যদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে পটুয়াখালী থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করে।
এ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুজন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তাহের, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান রানা, সহসভাপতি জাহিদ, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিব সানি, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বেল্লাল হোসেন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাইউম সিকদার।
ফেইসবুকে ছড়িয়ে যাওয়া ছাত্রলীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় কমিটির উপ ত্রাণ-বিষয়ক সম্পাদক আদনান হাবিব খান ও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক আমিনুর রহমান সিফাত খানকে। এতে অংশ নেন অন্তত ১৫ জন।
সিফাতের ফেইসবুক আইডিতে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ দাবি করছিলেন। প্রেস ক্লাবের সামনে মিছিল শেষে প্রধান উপদেষ্টার ছবি সম্বলিত একটি পোস্টারে আগুন দেওয়া হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিষয়টি (ছাত্রলীগের মিছিল) নলেজে আছে, খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলের ঘটনায় মামলা হবে কি না, এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।”