ট্রেন আটকে কোটাবিরোধী আন্দোলন বাকৃবি শিক্ষার্থীদের
ঢাকা থেকে জামালপুরগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
‘বাংলা ব্লকেডের’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৃতীয় দিনের মতো ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন আটকে কোটাবিরোধী আন্দোলন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের-বাকৃবি শিক্ষার্থীরা।
সোমবার দুপুর দেড়টা থেকে সোয়া তিনটা পর্যন্ত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্বারের মোড়-সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা থেকে জামালপুরগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কোটাবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশব্যাপী 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন। মিছিলটি বাকৃবির কে আর মার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ভবন ঘুরে জব্বারের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এরপর ট্রেন আটকে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা এক দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
বাকৃবি শিক্ষার্থী ইরান মিয়া বলেন, “আজ থেকে আমরা এক দফা কর্মসূচি পালন করব। সরকারি চাকরির সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্য মূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংস্কার করতে হবে।”
তিনি বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ দেশের ছাত্র সমাজ দেশব্যাপী ‘বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।”
শিক্ষার্থী প্রণব ঘোষ বলেন, “সরকারি চাকরির সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্য মূলক কোটা সংস্কার করে মেধাবীদের চাকরিতে সুযোগ দিতে হবে। সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাস করতে হবে।”
