ক্রিসমাস ট্রি’র আলোয় রাঙা বড়দিনের আনন্দ
“খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষরাও কোনো আশঙ্কাবোধ করছে না।”
যিশু খ্রিস্টের জন্মতিথিতে সাতক্ষীরায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে অতিথি আপ্যায়ন; চারদিক ঝলমল করছে ক্রিসমাস ট্রি’র আলোয়। হাসি আনন্দে মেতে উঠেছে ছোট থেকে বড় সবাই।
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব বড়দিন উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার তালা, আশাশুনি ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গীর্জায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ধর্মীয় উৎসব পর্ব।
বুধবার প্রথম প্রহরে সুলতানপুর বাটকেখালী গীর্জায় বাইবেলের বাণী শুনিয়ে, কেক কেটে ও গোশালায় মোমবাতি জ্বালিয়ে বড়দিনের প্রথম পর্ব সম্পন্ন করা হয়। পরে যিশু খ্রিস্টের ভক্ত-অনুসারীদের মাঝে বিতরণ করা হয় কেক।
এদিকে খ্রিস্টান পল্লীগুলোতে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। জ্বালানো হয়েছে রঙিন বাতি। প্রথম প্রহরেই বাটকেখালী গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনায় মিলিত হন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ নানা বয়সীরা। প্রার্থনা পর্ব পরিচালনা করেন ফাদার আন্তোনিও জের্মানো; সংযুক্ত প্রার্থনা পর্ব পরিচালনা করেন ফাদার নরেন জোসেফ বৈদ্য।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বড়দিন ও নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি হেনরী সরদার, বাইবেল থেকে পাঠ করে শোনান জন গুরুপদ হালদার, মার্থা রায়, দীপিকা গাইন, প্রতিমা সরকারসহ অন্যরা।
বাটকেখালি গির্জার ফাদার নরেন জোসেফ বৈদ্য বলেন, “সাতক্ষীরার প্রতিটি গির্জায় উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে বড়দিন। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে দুদিন আগে থেকেই গির্জাগুলোতে নিরাপত্তার ব্যবস্থাটি জোরদার করা হয়েছিল।
“খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষরাও নিরাপত্তাহীনতার কোনো আশঙ্কাবোধ করছে না, যার যতটুকু সামর্থ্য সে অনুযায়ী পারিবারিক আয়োজন করেছে বড়দিনে। সব মিলিয়ে বড়দিনের প্রথম প্রহর থেকে এখনও পর্যন্ত চলছে উৎসব ও আনন্দ আয়োজন।”
