১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্তানরা ভালো কিছু করলে বুক ভরে যায়: ঋতুপর্ণার মা বসুবতি চাকমা

রাঙামাটির ঘাগড়া মগাছড়ি গ্রামে বাড়িতে বসে মোবাইলে মেয়ের খেলা দেখেছে বসুবতি চাকমা।

সন্তানরা ভালো কিছু করলে বুক ভরে যায়: ঋতুপর্ণার মা বসুবতি চাকমা
মা বসুবতি চাকমার সঙ্গে ঋতুপর্ণা চাকমা।

রাঙামাটি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jul 2025, 05:52 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:19 PM

উইমেনস এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের ম্যাচে ঋতুপর্ণা চাকমার সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মা বসুবতি চাকমা। এর মধ্যে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। 

বুধবার মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের থুয়ান্না স্টেডিয়ামে ঋতুপর্ণা খেলতেছে আর রাঙামাটির ঘাগড়া মগাছড়ি গ্রামে বাড়িতে বসে মোবাইলে মেয়ের খেলা দেখেছে বসুবতি চাকমা।

খেলা শেষে মাকে ভিডিও কলে জয়ের সুসংবাদও দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা।

মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো উইমেনস এশিয়ান ফুটবল কাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। দেশের হয়ে দুটি গোল করেছে পাহাড়ি কন্যা ঋতুপর্ণা।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৭৩ ধাপ এগিয়ে মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রশংসায় ভাসছে ঋতুপর্ণাসহ পুরো ফুটবল দল। সেই আনন্দের জোয়ার বইছে ঋতুপর্ণার গ্রামের বাড়ি মঘাছড়িতেও। মেয়ের জয়ে উচ্ছ্বাসিত মা বসুবতি চাকমাও।

মেয়ের জয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে বসুবতি চাকমার বলেন, “খেলা শেষে মেয়ে (ঋতুপর্ণা) ভিডিও কল দিয়ে জয়ের খবর দিয়েছে। আমি যে খুশি হয়েছি, তা বলে প্রকাশ করা যাবে না। নিজের সন্তানরা ভালো কিছু করলে বুক ভরে যায়। আমি নিজেও মোবাইলে মেয়ের খেলা দেখেছি।”

তিনি বলেন, “আমি আমার মেয়ের জন্য সবসময় দোয়া করি, আশীর্বাদ করি সে যেন ভালো করে খেলতে পারে, বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। মেয়ে যখন দুটি গোল করেছে তখন আমি খুব খুশি হয়েছি। 

“আশীর্বাদ করি সামনের খেলাগুলোতেও যেন তারা জিতে আসতে পারে। দু-দিন ধরে এলাকায় লোকজনের মুখে মুখে ঋতুদের জয়ের কথা বলাবলি করতেছে।”

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলে ঋতুপর্ণা চাকমা ছাড়াও পার্বত্য জেলা থেকে রয়েছে গোল রক্ষক রুপনা চাকমা ও মিড ফিল্ডার মনিকা। 

এর মধ্যে গোলরক্ষক রুপনা চাকমার বাড়ি নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ভূঁইয়াদাম গ্রামে। আর মিড ফিল্ডার মনিকা চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের সুমান্ত পাড়ায়। তিন পাহাড়ি কন্যার জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে পাহাড়ে।