Published : 20 Sep 2026, 01:31 AM
চুয়াডাঙ্গায় পিত্তথলির পাথর অপসারণের অস্ত্রোপচারের সময় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্লিনিক ভাঙচুর করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় রবগুল মোল্লা (৪৮) নামে ওই রোগীর মৃত্যুর সংবাদ জেনে ক্ষুব্ধ স্বজনরা উপশম নার্সিং হোম নামের ক্লিনিকটি ভাঙচুর করেন। রাত ৯টার দিকে সেখানে আরও একদফা ভাংচুর করা হয়।
প্রয়াত রবগুল মোল্লা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া গ্রামের খেজমত মোল্লার ছেলে।
রোগীর বোন সখেনা খাতুন বলেন, পিত্তথলির পাথর অপসারণের অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে রবগুল মোল্লাকে উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে ক্লিনিকের মালিক ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময় তার অস্ত্রোপচার করছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় রবগুলের মৃত্যু হয়। পরে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে রেখেই চিকিৎসক ও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক চলে যান।
রোগীর বোন সখেনার ভাষ্য, “অস্ত্রোপচার চলাকালে ডাক্তার তন্ময় শুধু ছোটাছুটি করছিলেন। পরে হঠাৎ অস্ত্রোপচার কক্ষ থেকে বের হয়ে চলে যান। এরপর জানতে পারি, আমার ভাই মারা গেছে।”
রোগীর ভাতিজি চুমকি খাতুন তার চাচার মৃত্যুর সঠিক বিচার দাবি করেন। তিনি ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
রোগীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিক এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্বজনরা দফায় দফায় ক্লিনিকে ভাঙচুর করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মারুফ রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপশম নার্সিং হোমের বক্তব্য জানার চেষ্টা করছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস।