ধামরাইয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, শ্যালক-শ্বশুরসহ আটক ৫
সাবু দীর্ঘ দিন ধরে মাদক তৈরি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি স্বজনদের।
ঢাকার ধামরাই উপজেলায় এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
রেবাবার সকালে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের রুপনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ধামরাই থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান।
নিহত সাবু (৩৫) ভোলার লালমোহন উপজেলার বাসিন্দা আবুল হাসেমের ছেলে। তিনি রুপনগর এলাকায় বসবাস করে স্থানীয় একটি খেয়াঘাটের ম্যানেজার ছিলেন।
আটকরা হলেন- সাবুর শ্বশুর মো. হানিফ ও তার ছেলে বাবু। বাকিদের নাম-পরিচয় জানায়নি পুলিশ।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সাবু দীর্ঘ দিন ধরে মাদক তৈরি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। প্রায়ই সাবু মাদক সেবনের পর বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন। ঈদের দিন তিনি মদপান করে সাভার গিয়ে মারধরের শিকার হন। রাতে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে তাকে তাড়িয়ে দেন।
তার বাসার পাশেই শ্বশুর বাড়ি। পরে সেখানে গিয়েও ঝগড়াঝাটি করে শ্বশুরের বসতঘরের টিনে কোপ দেন ও বিদ্যুতের মিটার ভেঙে দেন। এক পর্যায়ে শ্বশুর ও শ্যালকরা তাকে মারধর করেন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
খবর পেয়ে সকালে পুলিশ সাবুর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ছাড়া নিহতের শ্যালক ও শ্বশুরসহ পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ওসি নাজমুল হুদা খান।
