Published : 16 Oct 2025, 01:02 PM
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গতবারের তুলনায় পাসের হার কমেছে।
এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় এ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী।
গত বছর পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ৮২৬ হাজার জন।
এবার ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি। আর তিন প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ফলাফল জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহিদুল্লাহ।
এ বোর্ডের অধীনে চার জেলার ৩০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৯ হাজার ৯৬ জন।
এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। শেরপুর জেলায় ৪৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ, জামালপুরে ৪৭ দশমিক ৪১ শতাংশ ও নেত্রকোণায় ৪৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বিজ্ঞান বিভাগে ৭৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, মানবিকে ৪৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় পাসের হার ৪১ দশমিক ১২ শতাংশ।
বোর্ডের পরীক্ষা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহিদুল্লাহ জানান, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে শতভাগ কৃতকার্য প্রতিষ্ঠান তিনটি ও শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান ১৫টি।
তিনি বলেণ, “শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্লাসে অমনযোগী এবং অনিয়মিত হওয়ার কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে।
“আগামীতে ভালো করার লক্ষ্যে সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে ফল প্রকাশের পর ময়মনসিংহের সেরা কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা উল্লাসে ফেটে পড়ে।
নগরীর শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে এ বছর ১ হাজার ৩৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ হাজার ৩০২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯৮ জন।
ফলাফল ঘোষণার পর এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সিফাত উল্লাহ বলেন, “বরাবরের মত এবারও আমাদের কলেজ ভালো ফলাফল করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমিও জিপিএ-৫ পেয়েছি।
“কৃতজ্ঞতা জানাই, স্যারদের প্রতি তারা যেভাবে আত্মরিকতার সহিত আমাদের পড়িয়েছেন।”
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের শিক্ষক এনায়েতুর রহমান বলেন, “এবার বোর্ডেই রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। সেই তুলানায় আমরা ভালো করেছি। কিন্তু আরও ভালো হওয়ার দরকার ছিল।
“নানা কারণে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি আনমনা থাকায় এমন হয়েছে। ধারাবাহিকতা রক্ষায় আগামীতে আরও ভালো করার চেষ্টা করব।”