Published : 01 Mar 2026, 03:42 PM
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
রোববার ভোররাতে এলতা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে কালাই থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) দ্বীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানিয়েছেন।
নিহত ৩৫ বছর বয়সী খালেদা একই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মভেজ আলীর ছেলে আব্দুল বাকী ওরফে সাইদুরের দ্বিতীয় স্ত্রী।
পুলিশ বলছে, ঘটনার পর থেকেই ৫৫ বছর বয়সী সাইদুর পলাতক রয়েছেন। আর খালেদার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহহাট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে সাইদুরের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর খালেদার বাপের বাড়িতে ঘরজামাই থাকতে শুরু করেন সাইদুর। তাদের সংসারে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।
নিহতের বড় বোন আলেয়া বেগম বলেন, “ সাইদুর আমার বোনের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিতো। টাকা ফেরত চাইলে মারধর করে আবারও টাকা-পয়সার জন্য চাপ দিত।
“শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও গভীর রাতে আবারও দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর সাইদুর পালিয়ে যায়।”
পরিদর্শক দ্বীপেন্দ্রনাথ বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে মৃতের গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।”
“ঘটনার পর থেকেই খালেদার স্বামী সাইদুর পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।