১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বরিশাল মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: তদন্তে কমিটি, মেডিসিন বিভাগের রোগী ভর্তি বন্ধ

স্বাস্থ্য পরিচালকের নির্দেশে রোগীদের বরিশাল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

বরিশাল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Oct 2024, 10:41 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:39 AM

 বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ভবনের নিচতলায় অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি জানতে তদন্ত কমিটি হয়েছে। 

এছাড়া আগুন লাগার স্থান ব্যবহার উপযোগী না করা পর্যন্ত মেডিসেন বিভাগের রোগী ভর্তি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রেজোয়ানুল আলম রায়হান। 

রোববার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের পাঁচতলা মেডিসিন ভবনের নিচতলায় স্টোর রুমে আগুন লাগে। রুমে গজ ব্যান্ডেজ, তুলা, ফোমের বিছানা থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও ব্যাপক ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এতে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কেউ হতাহত হননি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভায়।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রেজোয়ানুল আলম বলেন, ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। 

কমিটির সদস্যরা হলেন- হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী, ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক, ডিসি ও পুলিশের প্রতিনিধি এবং হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টোর অফিসার। 

সহকারী পরিচালক বলেন, হাসপাতালের ওই বিভাগের ভর্তি রোগীদের পুরোনো ভবনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মেডিসিন বিভাগের নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না। স্বাস্থ্য পরিচালকের নির্দেশে রোগীদের বরিশাল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। 

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আসবাবপত্র ছাড়াও স্টোরে থাকা ম্যাট্রেস, মশারি, চাদরসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। 

ফায়ার সার্ভিসের আগুন নেভানোর কাজের জন্য সেখানে এখনও পানি জমে আছে।

ভবনের বাকি চারটি তলায় শুধু ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় সেখানে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। 

প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। 

শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডলের ভাষ্য, “আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবনটিতে রোগীদের স্থানান্তর করার কার্যক্রম শুরু হবে। রোগীদের পুনর্বাসন করতে সময় লাগবে। অন্তত তিনদিন প্রয়োজন। 

“এর মধ্যে ভবনের নিচতলা ছাড়া বাকিগুলো রোগীদের সেবার জন্য চালু করা সম্ভব হবে। নিচতলায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে আরও সময় লাগবে।”