০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

নীলফামারীতে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের

ইউএনও আরিফুর রহমান বলেন, “কেউ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ করলে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব তার।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 07 Oct 2026, 08:55 PM

Updated : 07 Oct 2026, 08:55 PM

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন বিএনপি নেতা।

বুধবার দুপুরে উপজেলার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তারা।

এ সময় তারা বলেন, উপজেলার ৯ ইউনিয়নে মোট ২৭ জনকে ডিলার হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের যোগ্যতা যাচাই করা হয়নি।

তাদের অভিযোগ, আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির লোকদের সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা পাটোয়ারি অভিযোগ করে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সার ডিলার নিয়োগে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আওয়ামী লীগের লোকজনকে সুপারিশ করেছেন। সেখানে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে রাখা হয়নি। যদিও বিএনপির যোগ্য প্রার্থী ছিল। যারা ফ্যামিলি কার্ডের বিরোধিতা করেছিল ইউএনও তাদের নিয়োগ দিয়েছে।”

তিনি বলেন, “যদি এই ইউএনও দায়িত্বে থাকেন তাহলে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন।”

বাহাগিলী ইউনিয়ন বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক নুরনবী ইসলাম অভিযোগ করেন, “আমি একজন বিএনপির প্রবীণ নেতা। সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ইউএনও তার নিজের মতো করে লোকজনকে সুপারিশ করেছে। এর সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।

“প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন, দেশকে সুন্দর করে সাজাতে। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নিজের মনমতো এসব কাজ করছেন। তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনোভাবে মূল্যায়ন করেন না।”

পুটিমারি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মকছুদার রহমান বলেন, “আমি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করি। কিছুদিন আগে সার ডিলার নিয়োগ হয়েছে, সেখানে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ইউএনও আর্থিক সুবিধা নিয়ে সার ডিলার সুপারিশ করেছে। আমরা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানাই।”

এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান বলেন, “আমরা যে তালিকা পাঠিয়েছি, সেটা উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে সম্মিলিতভাবে পাঠিয়েছি। যদি কোনো অভিযোগ থাকে সেটা খতিয়ে দেখা হবে।”

“এ ছাড়া কেউ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ করলে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব তার।”