‘চিরঞ্জীব মুজিব’ মুক্তি পেল বগুড়ায়
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ মুক্তি পেয়েছে বগুড়ার একটি প্রেক্ষাগৃহে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছোট বোন রেহেনা নিবেদিত এই চলচ্চিত্র শুক্রবার জেলা শহরের ‘মধুবন সিনেপ্লেক্সে’ মুক্তি দেওয়া হয়; এরপর থেকে সেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।
ছবিটি মুক্তির আগে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বগুড়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন; অভিনেতা, অভিনেত্রীসহ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন।
ছবির সৃজনশীল পরিচালক জুয়েল মাহমুদ বলেন, “পুরো দেশের শিক্ষার্থীদের আমরা ছবিটি ফ্রি দেখাতে চাই। বগুড়ায় আমরা প্রায় সব পেশার সংগঠন থেকে সাড়া পেয়েছি। আট দিনের শো এর মধ্যে বুকড। এভাবে আমরা দেশের প্রায় সবগুলো জেলা কভার করতে চাই।”
ছবির নির্দেশক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কীভাবে একজন মুজিব ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন গণমানুষের নেতা, জাতির জনক, ভাষা আন্দোলনে রেখেছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা এসব তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। নুতন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতেই এই প্রয়াস।
পাঁচ বছর ধরে এই ছবিটি নিয়ে কাজ করেছেন বলে তিনি জানান।
বগুড়া জেলা প্রসাশক মো. জিয়াউল হক বলেন, “অনবদ্য একটি ছবি। এটা ইতিহাস। বাঙালি জাতির গর্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে চলচিত্রটি সবারই দেখা উচিত।”
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত ছবিটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল উঠে এসেছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ রাজধানীর প্রেক্ষাগৃহে উঠবে নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ, বললেন ছবির নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা।
এই চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। বেগম ফজিলাতুন্নেছার চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা এবং বঙ্গবন্ধুর বাবা ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে খায়রুল আলম সবুজ ও দিলারা জামান।
অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রয়াত এস এম মহসীন, নরেশ ভুঁইয়া, শতাব্দী ওয়াদুদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, আরমান পারভেজ মুরাদ, কায়েস চৌধুরী, আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরীসহ পাঁচ শতাধিক শিল্পী।
