কাদেরের মায়ের দাফন সম্পন্ন
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মায়ের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলার বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় জানাজার পর ৯২ বছর বয়সী বেগম ফজিলাতুন্নেসাকে দাফন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত পৌনে ১১টায় তার মৃত্যুর হয়। মঙ্গলবার ভোরে সড়কপথে লাশ গ্রামের বাড়ি আনা হয়।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বিবৃতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ফজিলাতুন্নেসার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শোকবার্তায় বলেন, “বেগম ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন রত্নগর্ভা মহিয়সী নারী। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীরভাবে শোকাহত।”
ওবায়দুল কাদেরের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বড় রাজাপুর গ্রামে। তার বাবা মোশারফ হোসেন শিক্ষক ছিলেন।
রাজাপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে ফজিলাতুন্নেসাকে স্বামীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে।
ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন চার ছেলে ও ছয় মেয়ের মা।
দাফন শেষে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আগামী বৃহস্পতিবার বাদ জোহর বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে তার কুলখানিতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, বস্ত্র্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম অহিদুজ্জামান দাফনের সময় মন্ত্রী কাদেরের সঙ্গে ছিলেন।
