Published : 01 Dec 2015, 06:44 PM
মঙ্গলবার সকালে রাজাপুরের সাতুরিয়া ইউনিয়নে গণহত্যার শিকার শহীদ পরিবারের বাড়ি ও গণকবর পরিদর্শন করেন তদন্ত কমিটির তিন সদস্য।
১৯৭১ সালের ১৭ মে স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জেলার রাজাপুর উপজেলার কাঠিপাড়া গ্রামে গণহত্যা চালায়। হত্যার পর অর্ধশতাধিক লাশএ ওই গ্রামের জঙ্গলে গণকবর দেওয়া হয়।
এছাড়াও রাজাপুর উপজেলায় রাজাকারদের সহায়তায় হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণসহ পাকবাহিনী নির্যাতন চালায়।
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হেলাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “রাজাপুরের সাতুরিয়ার বেশ কজন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আর এ কারণেই তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে।”তারা কাঠিপাড়া গ্রামের গণকবর ও গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেন। তবে সাক্ষীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করেনি তদন্ত কমিটি।
২০০৮ সালের নির্বাচনের ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি আওয়ামী লীগ তোলে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বহুল প্রতীক্ষিত বিচার শুরু হয়।