গৃহবধূর শ্লীলতাহানির দায়ে দণ্ডিত স্বামীসহ ৫ জন
গৃহবধূর শ্লীলতাহানির দায়ে তার স্বামীসহ পাঁচজনকে সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছে শেরপুরের একটি আদালত।
এছাড়া দণ্ডিতদের ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইদুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিতরা হলেন ওই গৃহবধূর স্বামী শেরপুরের নকলা উপজেলার নজরুল ইসলাম বুলবুল (৩০), নালিতাবাড়ীর শফিকুল ইসলাম (২৭), আব্দুছ ছালাম (২৫), মনু মিয়া (২৬) ও গোলাম মোস্তফা (৩০)।
মামলার বরাত দিয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, গত বছরের ১৭ জুলাই মধুটিলা ইকোপার্কে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হন ওই গৃহবধূ।ওই ঘটনার দৃশ্য দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে।
“এক পর্যায়ে নিজেকে বাঁচানোর জন্য স্বামীর সহায়তা চাইলেও তার স্বামী ওই ঘটনাটি কাউকে না জানানোর নির্দেশ দিয়ে তাকে সেখানে ফেলে চলে আসেন।
“পরে তারা ওই নারীর বাবার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না পেয়ে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়।”
এ ঘটনায় ওই নারী তার স্বামীসহ পাঁচজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পর্নগ্রাফি আইনে নালিতাবাড়ী থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন বলে জানান পিপি গোলাম কিবরিয়া।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য শেষে এ রায় ঘোষণা করা হলেও পর্নগ্রাফি আইনের মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
