Published : 26 Aug 2015, 09:35 PM
বুধবার দুপুরের উপজেলার বড়ইয়া লস্করবাড়ি এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় সোহেল রানা (২০)
গুরুতর আহত হন। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বড়ইয়া গ্রামের আমজেদ আলী ফকিরের ছেলে নিহত সোহেল রানা ওই উপজেলার বড়ইয়া ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
ঝালকাঠির আমজেদ আলী ফকিরের ছেলে নিহত সোহেল রানা
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী শামসুল হক আকান জানান, ঘটনার সময় তিনি মাঠে কৃষি কাজ করছিলেন। হঠাৎ তিনজনকে দৌড়ে পালাতে দেখেন। কাছে গিয়ে দেখতে পান ছাত্রটি ডোবার মধ্যে পড়ে ছটঢট করছে।
স্থানীয় আরও ক’জনের সহায়তায় ছাত্রটিকে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তিনি।
রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবুল খায়ের রাসেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ছাত্রটির মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা হয়েছে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল পাঠিয়ে দেই।”
রাজাপুর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গিয়াস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে।
“এ ঘটনায় দুই জনকে আটক করেছে।”
মামলাসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানানা তিনি।
এদিকে, নিহত সোহেল রানার বাবা আমজেদ আলী ফকির সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন- অনেক দিন ধরে এলাকার এক প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিবাদ চলে আসছিল। এজন্য ইতিপূর্বে তিনি ওই গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মাহবুরের নামে থানায় জিডি এবং র্যাবের কাছে অভিযোগও করেন।
ঝালকাঠী আদালতে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে এলাকার আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, লিটন হাওলাদার ও মিল্টন হাওলাদারের নামে একটি মামলাও দায়ের করেন।
আর এ ঘটনার পর থেকেই প্রতিপক্ষরা তাকে ও তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এরাই তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করছেন নিহতের বাবা।