Published : 18 Jun 2023, 12:23 AM
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার বিকালে উপজেলার বোর্ডমিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে কালিয়াকৈর থানার ওসি আকবর আলী খান জানান।
আহতরা হলেন: উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন, অপু আহমেদ, মামুন ভূঁইয়া, মো. আকাশ, নওশাদ হোসেন, আদম আলী, লিয়াকত হোসেন, সাব্বির হোসেন, আলেয়া বেগম ও কবির হোসেন।
আহতদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সফিপুর মডার্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে উভয় পক্ষই আলাদা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাসেল কিছুদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকালে উপজেলার পূর্বচান্দরা বোর্ডমিল এলাকার ঈদগাঁ মাঠে উঠান বৈঠকের আয়োজন করেন তিনি।
রেজাউল করিম তার অনুসারী নেতাকর্মীদের নিয়ে ওই বৈঠকে যোগ দিতে যান। কিন্তু মাঠে ঢোকার গেইটে তালা ঝুলানো দেখে নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন।
এ সময়ে উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলামের লোকজন সেখানে গেলে দুপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাঁধে।
পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের অনুসারীরা কালিয়াকৈর বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
অপরদিকে, উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলামের লোকজন মিছিল করে পূর্বচান্দরা বোর্ডমিল এলাকায়।
এ বিষয়ে রেজাউল করিম বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রচার করছি। তারপরও কেন আমাদেরই আরেকটি পক্ষ হামলা চালাচ্ছে তা নিজেও বুঝতে পারছি না। নিশ্চিয় পেছন থেকে তাদের কেউ ইন্ধন দিচ্ছে।”
রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি এলাকায় ছিলাম না। তবে জানতে পেরেছি, সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় নেতাকর্মীদের না জানিয়ে বৈঠক করতে যাওয়ায় বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।”
কালিয়াকৈর থানার ওসি আকবর আলী খান জানান, খবর পেয়ে দুপক্ষকেই প্রতিহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি।