ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে গণপ্রতিরোধ: মামুনুল হক
ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জে নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।
সন্ত্রাস বা পেশিশক্তির মাধ্যমে জনতার রায়কে যদি কেউ ছিনতাই করার চেষ্টা করে তাহলে প্রতিটি কেন্দ্রে তাদেরকে প্রতিহত করার ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।
ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জে নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ঈদগাঁ ময়দানে এবং গোপালগঞ্জ ৭ই মার্চ চত্বর রোডে সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদপুরের সভায় তিনি বলেন, “গুণ্ডা-মাস্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। যদি কেউ ব্যালটের রায় পরিবর্তন করতে আসে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
“স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। ৫৪ বছর ধরে এ দেশের মানুষের সঙ্গে শাসনের নামে শোষণ এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”
সংঠনের ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা মো. মিজানুর রহমান মোল্লা।
অপরদিকে গোপালগঞ্জের সভায় মামুনুল হক বলেন, “ভোট দেওয়ার পরে আপনারা বাড়ি গিয়ে ঘুমাবেন না। আপনাদের এই ভোটের ফসল সন্ধ্যা বেলায় যেন ঘরে তুলে আনতে পারেন সেজন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আপনাদের অবস্থান করতে হবে।
“জাল ভোট দেওয়ার একটা পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমাদের কাছে সংবাদ আছে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু মানুষ কারা মারা গেছে, কারা বিদেশে আছে, কারা দূরে আছে- তাদের তালিকা করা হচ্ছে। প্রতিবছর শুনি মরা মানুষ এসে ভোট দিয়ে যায়। তারা মরা মানুষের ভোট দিয়ে বাক্সে ভরার পাঁয়তারা করতেছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে।”
এ সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের ১১ দলীয় প্রার্থী মুফতি শুইয়াব ইবরাহীমকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তার রিকশা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামী নেতা মাসুদুর রহমান, মওলানা আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সভা শেষ করেন মামুনুল হক।
